1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণে আগামীকাল চাঁদ দেখা কমিটির সভা আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি সামরিক সংঘাতের হুঁশিয়ারি ইরানের, বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় সংকটের আশঙ্কা কুকুরের তাড়া খেয়ে রিকশা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চালকের মৃত্যু ভারতে চিপ উৎপাদন শিল্পে বড় অগ্রগতি, টাটা ও ডাচ জায়ান্ট এএসএমএল-এর ঐতিহাসিক চুক্তি আল নাসরের শিরোপা হাতছাড়া, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান বয়কট করলেন রোনালদো স্থানী বাজারে সোনার দাম আরও এক দফা কমল এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু ট্রফি জিতল গাম্বা ওসাকা, শিরোপাহীন রইলেন রোনালদো তাইওয়ানের স্বাধীনতা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সতর্কবার্তার পরই পাল্টা প্রতিক্রিয়া বেইজিংয়ের অরাজকতা সৃষ্টির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হুঁশিয়ারি বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডে বরাদ্দ বাড়ছে, এক বছরে সুবিধা পাবেন ৫০ লাখ নারী

বৈষম্য ও সুশাসনের ঘাটতি অর্থনীতির প্রধান বাধা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ১৭৪ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বৈষম্য ও সুশাসনের ঘাটতি। ফলে সমাজ অন্যায্য হয়ে পড়েছে। সর্বত্র চলছে সুবিচারের সংকট। এ ছাড়া দেশে এখনও গণতন্ত্র স্থিতিশীল হতে পারেনি। সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচনী ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) আয়োজিত ‘আগামীর বাংলাদেশের জন্য ১০ করণীয়’ শীর্ষক আব্দুল গফুর স্মৃতি বক্তৃতায় এসব কথা বলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদরা। গতকাল বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সংস্থার নিজস্ব কার্যালয়ে বিআইডিএস এর আয়োজন করে। এতে জাপানের এশিয়ান গ্রোথ ইনস্টিটিউটের (এআইজি) ভিজিটিং প্রফেসর নজরুল ইসলাম মূল বক্তব্য দেন। আলোচনায় অংশ নেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. রেহমান সোবহান, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান, সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. রওনক জাহান, বিআইডিএসের গবেষণা পরিচালক ড. কাজী ইকবাল প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন বিআইডিএসের মহাপরিচালক ড. বিনায়ক সেন।

মূল বক্তৃতায় অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের আগামীর করণীয় হিসেবে ১০ প্রস্তাব করেন। তার মধ্যে রয়েছে– অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাস, সুশাসন অর্জন, গণতন্ত্রের মানোন্নয়ন ও আনুপাতিক নির্বাচন ব্যবস্থার প্রবর্তন, পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং গ্রাম পরিষদ গঠন। এ ছাড়া ভৌগোলিক বৈষম্যের অবসান, সামাজিক সংহতি বৃদ্ধি, নারী, শিশু, তরুণ ও বৃদ্ধদের প্রতি বিশেষ মনোযোগ, সর্বজনীন সামরিক শিক্ষা প্রবর্তন ও সার্বভৌমত্ব শক্তিশালীকরণ এবং নিরপেক্ষ বৈদেশিক নীতি অনুসরণ করা।

তিনি বলেন, সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়– এই স্লোগানের বাস্তবতা প্রশ্নসাপেক্ষ। এবার নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন দেশের টানাটানির ঘটনা দেখা গেছে। বৈদেশিক নীতির স্বচ্ছতা থাকা দরকার। কোন দেশকে আমরা কী সুবিধা দিচ্ছি, তার স্বচ্ছতা থাকা দরকার। এসবের জন্য জনগণকে আস্থায় নিতে হবে। তাদের বাদ দিয়ে কোনো সিদ্ধান্তের সুফল আশা করা যায় না। মোটকথা, আমাদের প্রকৃতই একটি বৈদেশিক নীতি প্রয়োজন। যেখানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি থাকবে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026