1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিএনপি সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার সময় হামের টিকার কোনো মজুত ছিল না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের নেতাদের সৌজন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত চামড়া খাতের উন্নয়নে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৫১৭ ২০২৮ সালের মধ্যে প্রাথমিকে নতুন পাঠ্যক্রম চালুর ঘোষণা চালকের অদক্ষতা ও ত্রুটিযুক্ত যান সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ: শেখ রবিউল আলম সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা প্রত্যাহার ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর চলচ্চিত্র ঐতিহ্য সংরক্ষণে ফিল্ম আর্কাইভকে আধুনিকায়ন করা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী গাঢ় বেগুনি কাতান শাড়িতে ভক্তদের নজর কাড়লেন অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ শাহজালাল বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবা চালু, একসঙ্গে সুবিধা পাবেন ৩৭ হাজার যাত্রী

তানভীর আহমেদ বিভক্ত আম্বানি পরিবারের কত সম্পদ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৪
  • ২৩৬ বার দেখা হয়েছে

রিলায়েন্স গড়েছিলেন ধিরুভাই আম্বানি। তার দুই ছেলে মুকেশ আম্বানি ও অনিল আম্বানি। বাবার মৃত্যুর পর ব্যবসার মালিকানা নিয়ে প্রকাশ্যে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন দুই ভাই। আদালত পর্যন্ত গড়ায় বিষয়টি। মায়ের মধ্যস্থতায় দুই ভাই ভাগ করে নেন সম্পদের মালিকানা। অনিল আম্বানির দাপুটে শুরু হলেও কয়েক বছরের মাথায় ব্যবসায় ধস। বড় লোকসানে পড়ে অনিল একের পর এক ব্যবসা বিক্রি করতে বাধ্য হন। ব্যবসা বুঝতেন মুকেশ। ভাইকে পেছনে ফেলেছেন বহু আগে। টাকার পাহাড় গড়ে তুলে এখন ভারতের শীর্ষ ধনী তিনি…

মুকেশ আম্বানি

১০৫.১ বিলিয়ন ডলার (বর্তমান)

টাকার পাহাড় গড়ছেন মুকেশ আম্বানি 

মা কোকিলাবেন সম্পত্তি ভাগ করে তেল শোধনাগার ও পেট্রোকেমিক্যাল ব্যবসা মুকেশ আম্বানির হাতে তুলে দেন। একই সঙ্গে দুই ভাই একে অন্যের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বলা হয়, মুকেশ টেলিকম ব্যবসায় পা রাখবেন না, অন্যদিকে অনিল তেল শোধনাগার ও পেট্রোকেমিক্যাল থেকে দূরে থাকবেন। ২০১০ সালে এ চুক্তি শেষ হয়। তারপরই টেলিকম সেক্টরে প্রবেশ করেন মুকেশ আম্বানি। প্রথম সাত বছরে ২.৫ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন তিনি। বাজারে আসে রিলায়েন্স জিও। ঘুরে যায় টেলিকমিউনিকেশন ব্যবসার চিত্র। টাকার পাহাড় গড়ে তুলতে শুরু করেন তিনি। এরপরই এক ধাক্কায় ভারত তথা এশিয়ার ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় জায়গা করে নেন। আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিগুলোর সঙ্গে রিলায়েন্স গ্রুপের ব্যবসায়িক সম্পর্ক তৈরির পেছনের কারিগরও তিনি। এখন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান তিনি। ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স ইনডেক্স অনুসারে, মুকেশ আম্বানির সম্পদের পরিমাণ ১০৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। ভারতীয় টাকায় তার সম্পদের মূল্য ৮,৫৫,৭৩০ কোটি টাকা। বর্তমানে মোট সম্পদের হিসাবে এখন তিনি ১০৫.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মালিক। ভারতের শীর্ষ ধনী ব্যক্তি তিনি।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026