1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিএনপি সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার সময় হামের টিকার কোনো মজুত ছিল না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের নেতাদের সৌজন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত চামড়া খাতের উন্নয়নে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৫১৭ ২০২৮ সালের মধ্যে প্রাথমিকে নতুন পাঠ্যক্রম চালুর ঘোষণা চালকের অদক্ষতা ও ত্রুটিযুক্ত যান সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ: শেখ রবিউল আলম সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা প্রত্যাহার ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর চলচ্চিত্র ঐতিহ্য সংরক্ষণে ফিল্ম আর্কাইভকে আধুনিকায়ন করা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী গাঢ় বেগুনি কাতান শাড়িতে ভক্তদের নজর কাড়লেন অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ শাহজালাল বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবা চালু, একসঙ্গে সুবিধা পাবেন ৩৭ হাজার যাত্রী

শুভ বড়দিন আজ

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১১৪ বার দেখা হয়েছে

খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন (ক্রিসমাস) আজ ২৫ ডিসেম্বর সোমবার। খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে খুশির দিনে প্রতিটি গির্জায় হবে প্রার্থনা। মানবতার কল্যাণে যিশুখ্রিষ্টের শান্তির বাণী ছড়িয়ে যাবে বিশ্বজুড়ে। আলোকসজ্জা, ক্রিসমাস ট্রি আর সান্তা ক্লজের উপহারে মেতে উঠবে প্রতিটি পরিবার।

দুই হাজার বছর আগে এই দিনেই জন্মেছিলেন খ্রিষ্টধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিষ্ট। ফিলিস্তিনের বেথেলহেমের এক গোয়ালঘরে কুমারী মাতা মেরির কোলে জন্ম হয়েছিল তাঁর। খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মানবজাতিকে সত্য, সুন্দর ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করতে যিশুর জন্ম হয়। ‘ঈশ্বরের আগ্রহে ও অলৌকিক ক্ষমতা’য় মা মেরি কুমারী হওয়া সত্ত্বেও গর্ভবতী হন। ঈশ্বরের দূতের কথামতো শিশুটির নাম রাখা হয় যিশাস, বাংলায় বলা হয় ‘যিশু’। ঈশ্বর যাঁকে পাঠানোর কথা বলেছিলেন মানবজাতির মুক্তির জন্য, যিশু নামের সেই শিশুটি বড় হয়ে পাপের শৃঙ্খলে আবদ্ধ মানুষকে মুক্তির বাণী শোনান। তাই তাঁর জন্মদিনটি ধর্মীয় নানা আচার ও উৎসবের মধ্য দিয়ে উদ্‌যাপন করেন খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীরা।

বিশ্বের নানা দেশের মতো বাংলাদেশের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ও আজ উদ্‌যাপন করবে এই উৎসব। বড়দিন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলাদা বাণী দিয়েছেন।

বড়দিন উপলক্ষে গির্জা ছাড়া খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে জ্বালানো হয়েছে রঙিন আলো। সাজানো হয়েছে ক্রিসমাস ট্রি। যিশু গোয়ালঘরে জন্মেছিলেন বলে তাঁর অনুসারীরা ঘরে ঘরে প্রতীকী গোশালা তৈরি করছেন।

বড়দিনের উৎসব ঘিরে আনন্দমুখর আয়োজনে পিছিয়ে নেই দেশের বড় শহরের অভিজাত হোটেলগুলোও। রঙিন বাতি, ফুল আর প্রতীকী ক্রিসমাস ট্রিতে সাজানো হয়েছে।

গতকাল রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর গির্জাগুলোতে প্রার্থনা ও খ্রিষ্টযোগের মধ্য দিয়ে বড়দিনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে যায়। কাকরাইলে সেন্ট মেরিস ক্যাথেড্রালে রাত ৯টায় অনুষ্ঠিত হয় প্রার্থনা ও খ্রিষ্টযোগ। এ ছাড়া তেজগাঁওয়ের ধর্মপল্লি, মহাখালীর লূর্দের বাণী গির্জাসহ নয়টি গির্জায় সন্ধ্যা থেকে শুরু হয় প্রার্থনা।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026