1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইসরায়েলের নেতানিয়াহুর ছেলেদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়নের আহ্বান বিতর্কে রাশিয়ান সেনা বিমান ক্রিমিয়ায় ধ্বংস: ২৯ জন নিহত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে হরমুজ প্রণালিতে বল প্রয়োগে উদ্যোগ নিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত যুক্তরাষ্ট্রের দুই-তৃতীয়াংশ নাগরিক দ্রুত ইরান যুদ্ধ সমাপ্তির পক্ষে সংবিধান সংস্কার: বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব চীনের বিনিয়োগে বাংলাদেশের ক্রীড়া খাত আধুনিকীকরণের পরিকল্পনা দম বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ভিজুয়াল নন্দনের নতুন দিগন্ত ইতালি বিশ্বকাপ থেকে বাদ, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ইতিহাসে ফিরল তুরস্ক ২৪ বছর পর ফিরল বিশ্বকাপে সুইডেন ঘরের মাঠে পোল্যান্ডকে হারিয়ে নিশ্চিত করল বিশ্বকাপ যাত্রা

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ঘিরে বাণিজ্য ৩৫০০ কোটি টাকার চাপে শিক্ষার্থী-অভিভাবক নোট-গাইড, সহায়ক বই এবং প্রাইভেট-কোচিং ব্যবসা রমরমা

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১২ মার্চ, ২০২৩
  • ১৬৫ বার দেখা হয়েছে

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার কারণে বছরে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার বাণিজ্যের কবলে পড়েছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। তিন খাতে এই টাকা তাদের খরচ করতে হচ্ছে।

এগুলো হচ্ছে-নোট-গাইড ও সহায়ক পাঠ্যবই ক্রয় এবং প্রাইভেট-কোচিং। বাণিজ্যের নেপথ্যে মূল ভূমিকা পালন করছে বিভিন্ন স্কুল। অসাধু শিক্ষকদের সঙ্গে যোগসাজশ আছে কিছু প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের। তারাই ওইসব প্রতিষ্ঠানের বই কিনতে বাধ্য করছে।

একইভাবে প্রাইভেট-কোচিংয়েও যেতে বাধ্য করা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। কাউকে নিয়মিত ক্লাসের বাইরে স্কুলের কোচিংয়ে পড়ছে বাড়তি অর্থ দিয়ে। আবার কেউ যাচ্ছে শিক্ষকের কোচিং সেন্টারে।

কেউ কেউ গৃহশিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়ছে। আবার কোথাও ব্যবসায়িক কোচিং সেন্টারে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। প্রতি স্কুল থেকে কত শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে তার আগাম ঘোষণা না দেওয়ায় শতভাগই প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

২০০৯ সাল পর্যন্ত দেশে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। ২০১০ সাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা নেওয়া শুরু। যখন বৃত্তি পরীক্ষা ছিল সে সময় নোট-গাইড ব্যবসা আর প্রাইভেট-কোচিং এতটা রমরমা ছিল না।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026