1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

শবে কদরের গুরুত্ব ও ফজিলত

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২২
  • ২১৯ বার দেখা হয়েছে

রমজানের পুরো মাস জুড়ে বিরাজ করে রহমত, বরকত ও ক্ষমার ঘোষণা। তবে এ মাসে রয়েছে বিশেষ এক মহিমান্বিত রজনী লাইলাতুল কদর। আর লাইলাতুল কদর হাজার বছরের চেয়ে শ্রেষ্ঠ ও পুণ্যময়।

আল্লাহ তাআলা এ রাতের ব্যাপারে বলেন, ‘কদর রজনী সহস্র মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। সেই রজনীতে ফেরেশতাগণ ও রূহ অবতরণ করেন প্রত্যেক কাজে তাদের রবের অনুমতিক্রমে। শান্তিই শান্তি, সেই রজনী সুবহে সাদিক উদিত হওয়া পর্যন্ত।’ সুরা কদর, আয়াত : ৩-৫)

তাই এ রাতের অন্বেষণে যেমন আগ্রহী হওয়া জরুরি তেমনি এ রাতে ইবাদত-বন্দেগি নফল নামাজ, তেলাওয়াত, জিকির, তওবা-ইস্তিগফার, দোয়া-দরুদ ইত্যাদির প্রতিও আরও যত্নবান হওয়া কাম্য।

*লাইলাতুল কদর কোরআন নাজিলের রাত
রমহানের কদর রজনীতে আল্লাহ তাআলা কোরআনে কারিম নাজিল করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আমি কদর রজনীতে কুরআন অবতীর্ণ করেছি। (সুরা কদর, আয়াত : ০১)

আরও ইরশাদ হয়েছে, ‘আমি এ (কিতাব) অবতীর্ণ করেছি বরকতপূর্ণ রজনীতে, বস্তুত আমি সতর্ককারী। (সুরা দুখান, আয়াত :০৩)

এখানে লাইলাতুম মুবারকা বা বরকতময় রজনী বলতে শবে কদর বুঝানো হয়েছে। তো কদর রজনী একদিকে যেমন মহিমান্বিত অপরদিকে তা অত্যন্ত বরকতপূর্ণও বটে।

*লাইলাতুল কদর : যে রাতে গুনাহ মাফ হয়
এ রাতে আল্লাহ তাআলার অবারিত রহমত ও করুণা বর্ষিত হয়। নবীজী বলেন, ‘…যে ব্যক্তি ঈমান ও ইহতিসাব তথা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস এবং সওয়াব প্রাপ্তির প্রত্যাশায় লাইলাতুল কদরে কিয়াম (ইবাদত-বন্দেগি) করবে, তার পূর্বের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’ (বুখারি, হাদিস : ২০১৪)

তো ঈমান ও ইহতিসাবের উপলব্ধি জাগরূক রেখে লাইলাতুল কদরে কিয়াম (ইবাদত-বন্দেগি) করা বান্দার গুনাহ মাফের একটি বড় মাধ্যম।

*লাইলাতুল কদর থেকে বঞ্চিত হওয়া বড় বঞ্চনা
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ও তার প্রিয়-হাবিব (সা.)-এর পক্ষ থেকে এত বড় খোশখবরি পাওয়ার পর এ রাতের ক্ষমা ও রহমত লাভের চেষ্টা না করা অনেক বড় বঞ্চনার বিষয়।

আনাস (রা.) বলেন, রমজান আসলে নবীজি বলতেন- ‘এই মহিমান্বিত মাস উপস্থিত। তাতে একটি রজনী রয়েছে, যা হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। যে ব্যক্তি এর কল্যাণ ও বরকত থেকে বঞ্চিত হল সে যেন সকল কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত হলো। আর কেবল অভাগাই এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত থাকে।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৬৪৪; সুনানে নাসাঈ, হাদিস : ২১০৬)

সুতরাং হেলায় না কাটিয়ে কদরের রাতের কদর করা দরকার। নবীজী শেষ দশকে ইবাদত বাড়িয়ে দিতেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026