1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারে ট্রাম্পের সঙ্গে আলবানিজের ফলপ্রসূ আলোচনা দক্ষিণ সুদান ও আবেই সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সীমান্তে মাদক চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ রোধে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর যৌথ সামরিক মহড়া নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে যুক্ত হচ্ছে আরও ৫০০ শয্যা, কাল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে যানজট নিরসনে অঞ্চলভিত্তিক রিকশা চলাচলের উদ্যোগ, আসছে সমন্বিত নীতিমালা পুলিশের ৪৯ পরিদর্শককে অবসরে পাঠাল সরকার রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ানোর উদ্যোগ, কমছে ট্রেনের বিরতিও প্রশাসনে আবারও রদবদল: ৭ কর্মকর্তার বদলি, পদায়ন ও প্রত্যাহার দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর, ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা শিশু রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে

ভারসাম্যের কূটনীতি চ্যালেঞ্জ দিল্লির

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
  • ২২০ বার দেখা হয়েছে

এক দিকে তৈরি হওয়া চীন-রাশিয়া অক্ষ, অপর দিকে আমেরিকার সঙ্গে ইউরোপের নতুন জোট গড়ার প্রয়াস— এই দুই মহাশক্তির মাঝে ভারসাম্য রেখে চলা ক্রমশ কঠিন হয়ে দাঁড়াবে ভারতের জন্য। এমনটাই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, পরিস্থিতি অনুযায়ী অত্যন্ত সতর্ক পদক্ষেপ করতে হবে নয়াদিল্লিকে।

গত শুক্রবার ‘রুশি-চিনি ভাই ভাই’ হয়েছে! রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বলেছেন, দু’দেশের সহযোগিতার ক্ষেত্রে আর ‘কোনও সীমারেখাই’ থাকবে না। চলতি সপ্তাহে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শোলৎজ। ইউরোপ এবং আমেরিকার মধ্যে একটি চীন-বিরোধী ব্লক তৈরিতে সেতুবন্ধনের কাজ করছেন জার্মানির চ্যান্সেলর।

রাশিয়া-চীন এবং আমেরিকা-ইউরোপের কিছু দেশ— তৈরি হচ্ছে দু’টি মহাশক্তিধর জোট বা ব্লক। প্রশ্ন উঠছে, যুযুধান দুই পক্ষের রাজনীতির মধ্যে ভারত কোন পথে হাঁটবে? কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের একটা বড় অংশের মতে, বিষয়টি ভারতের হাতে নেই। গোটাটা নির্ভর করছে অনেকগুলি পরিস্থিতির উপর। প্রথমত, ওই দুই সম্ভাব্য জোট অদূর ভবিষ্যতে পরস্পরের বিরুদ্ধে কতটা সুর চড়াবে, তার উপরে নির্ভর করছে ভারতের কৌশলগত পথনির্দেশিকা।

পাশাপাশি, চীন, রাশিয়া এবং আমেরিকার সঙ্গে ভারতের নিজস্ব দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের দিকটিও খুবই জরুরি। এমন একটি সময় দুই বৃহৎ শক্তিজোটের মধ্যে পারস্পরিক রেষারেষি হচ্ছে, যখন ভারতের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক ক্রমশ তলানিতে পৌঁছচ্ছে। নয়াদিল্লি এখন স্বাভাবিক ভাবেই আগের তুলনায় অনেক বেশি পশ্চিমে ঝুঁকে থাকতে বাধ্য হচ্ছে। এই সপ্তাহেই বসবে আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপানের সঙ্গে ভারতের চীন-বিরোধী চতুর্দেশীয় অক্ষ কোয়াড-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। মে মাসে এই চারটি দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক। এই বৈঠকগুলিতে চীন-রাশিয়া অক্ষকে কী ভাবে দেখা হবে তা নিয়ে অবশ্যই আলোচনা হবে।

কূটনৈতিক শিবিরের মতে, এশিয়ায় ও ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের আগ্রাসী কূটনীতি ও রণনীতির কারণে যদি আমেরিকা আঞ্চলিক সহযোগী হিসাবে ভারতের গুরুত্ব কিছুটা বাড়াতে শুরু করে (ইতিমধ্যেই যা শুরু করছে ওয়াশিংটন), তবে রাশিয়ার সঙ্গেও দর কষাকষির ক্ষেত্রে কিছুটা বাড়তি জায়গা পাবে নয়াদিল্লি। তবে পথ যথেষ্ট জটিল বলেই মনে করা হচ্ছে। সূত্র: টাইমস নাউ।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026