1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডে বরাদ্দ বাড়ছে, এক বছরে সুবিধা পাবেন ৫০ লাখ নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ ও স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারে অর্থমন্ত্রীর তাগিদ সমাজ সংস্কারে দেশপ্রেমিকদের নিয়ে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর জাতীয়তাবাদে সব জাতি-গোষ্ঠীর সমান অধিকার নিশ্চিত করাই লক্ষ্য: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীকে নেতাকর্মীদের অভ্যর্থনা আন্তর্জাতিক যৌথ অভিযানে আইএসের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা নিহত ব্রাজিল-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে উপদেষ্টা পর্যায়ে মাসিক বৈঠকের সিদ্ধান্ত হরমুজ প্রণালির খসড়া প্রস্তাবে চীনের তীব্র বিরোধিতা, ভেটোর আশঙ্কা ইসরায়েলে জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা হ্রাস: সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে বিরোধী জোট মে মাসে দেশে আসছে সাড়ে ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল, মজুত পর্যাপ্ত

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যানকে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২২৩ বার দেখা হয়েছে

সিরাজগঞ্জ অফিস: অর্থ পাচার মামলায় গ্রেফতার আলোচিত গোল্ডেন মনিরের সহযোগী সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিনকে সাতদিনের মধ্যে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। গত বুধবার বিচারপতি মো: নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর আগে আসামির পক্ষ থেকে ছয় সপ্তাহের আত্মসমর্পণের সময় বাড়ানোর আবেদন করা হলে এ আবেদন বিজ্ঞ আদালত খারিজ করে দেন। আদালতে আসামির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সাকিব মাহবুব। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আন্না খানম কলি।
ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল সাংবাদিকদের জানান, গত ২ নভেম্বর রিয়াজ উদ্দিনকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন আদালত। এর মধ্যে উপজেলা চেয়ারম্যন সময় বাড়ানোর আবেদন করেন। বুধবার বিজ্ঞ আদালত তার আবেদন নাকচ করে তাকে সাতদিনের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। অন্যথায় তাকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের আইজিপিকে নির্দেশ দেবেন মর্মে সিদ্ধান্ত দেন হাইকোর্ট। মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল আরও জানান, গোল্ডেন মনিরের সহযোগী রিয়াজ উদ্দিন ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত সোনালী ব্যাংকে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে কমর্রত ছিলেন। তিনি রাজধানীর এয়ারপোর্ট শাখায় কমর্রত থাকাকালে গোল্ডেন মনিরের সঙ্গে সোনা চোরাচালানের অবৈধ ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন এবং সোনালী ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে দেন। মনির হোসেন, হায়দার আলী ও শফিকুল পরস্পরের সহযোগিতায় সংঘবদ্ধ সোনা চোরাচালান থেকে আয় দ্বারা অপর অভিযুক্তদের সঙ্গে ঢাকার উত্তরায় উত্তরাসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় কয়েকটি প্লট কেনেন। এছাড়া শেয়ার ও মেসার্স সিয়াম ফ্যাব্রিকস লিমিটেডের মালিকানা রয়েছে তার। গত বছরের ২০ নভেম্বর রাজধানীর মেরুল বাড্ডার বাসায় অভিযান চালিয়ে গোল্ডেন মনিরকে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক করে র‌্যাব। পরে তার বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়। এছাড়া অর্থপাচার ও সোনা চোরাচালানের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026