1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়ার নতুন হার কার্যকর স্বাধীনতার ৫৪ বছর: ফুটবলের আবেগের বাইরে বাংলাদেশ-লাতিন আমেরিকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিবর্তন সারাদেশে সোয়া ৭ কোটির বেশি নাগরিক পেলেন স্মার্টকার্ড নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন চলতি বছরের ফিরতি হজ ফ্লাইট সম্পন্ন, দেশে ফিরেছেন ৭৯ হাজার ১০০ হাজি সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও একজনের মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে মেট্রোরেল চলাচল ৩ ঘণ্টা বন্ধ দেশে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হলো ‘বাংলা কিউআর’ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় মোতায়েন হচ্ছে ৫ হাজার আনসার সদস্য অনলাইন জুয়া ও বেটিং রুখতে সংসদে নতুন আইন পাস, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যানকে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২৩৯ বার দেখা হয়েছে

সিরাজগঞ্জ অফিস: অর্থ পাচার মামলায় গ্রেফতার আলোচিত গোল্ডেন মনিরের সহযোগী সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিনকে সাতদিনের মধ্যে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। গত বুধবার বিচারপতি মো: নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর আগে আসামির পক্ষ থেকে ছয় সপ্তাহের আত্মসমর্পণের সময় বাড়ানোর আবেদন করা হলে এ আবেদন বিজ্ঞ আদালত খারিজ করে দেন। আদালতে আসামির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সাকিব মাহবুব। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আন্না খানম কলি।
ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল সাংবাদিকদের জানান, গত ২ নভেম্বর রিয়াজ উদ্দিনকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন আদালত। এর মধ্যে উপজেলা চেয়ারম্যন সময় বাড়ানোর আবেদন করেন। বুধবার বিজ্ঞ আদালত তার আবেদন নাকচ করে তাকে সাতদিনের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। অন্যথায় তাকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের আইজিপিকে নির্দেশ দেবেন মর্মে সিদ্ধান্ত দেন হাইকোর্ট। মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল আরও জানান, গোল্ডেন মনিরের সহযোগী রিয়াজ উদ্দিন ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত সোনালী ব্যাংকে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে কমর্রত ছিলেন। তিনি রাজধানীর এয়ারপোর্ট শাখায় কমর্রত থাকাকালে গোল্ডেন মনিরের সঙ্গে সোনা চোরাচালানের অবৈধ ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন এবং সোনালী ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে দেন। মনির হোসেন, হায়দার আলী ও শফিকুল পরস্পরের সহযোগিতায় সংঘবদ্ধ সোনা চোরাচালান থেকে আয় দ্বারা অপর অভিযুক্তদের সঙ্গে ঢাকার উত্তরায় উত্তরাসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় কয়েকটি প্লট কেনেন। এছাড়া শেয়ার ও মেসার্স সিয়াম ফ্যাব্রিকস লিমিটেডের মালিকানা রয়েছে তার। গত বছরের ২০ নভেম্বর রাজধানীর মেরুল বাড্ডার বাসায় অভিযান চালিয়ে গোল্ডেন মনিরকে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক করে র‌্যাব। পরে তার বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়। এছাড়া অর্থপাচার ও সোনা চোরাচালানের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026