1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ০৩:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে সংসদে সহকর্মী না পাওয়ার হতাশা প্রকাশ রুমিন ফারহানার তরুণদের ভিন্নধর্মী চিন্তাভাবনাই দেশের সংস্কৃতিকে এগিয়ে নেবে: আজিজুল হাকিম পদ ফিরে পেলেন কবি জসীম উদ্দীন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক হামিম ২৭ সদস্যের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করল মিশর, সালাহর সঙ্গী বার্সার তরুণ হামজা শিশু নির্যাতন-হত্যা নৈতিক অবক্ষয়ের ভয়াবহ প্রতিফলন: মির্জা ফখরুল সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় ট্রেনে কাটা পড়ে এক নারীর মৃত্যু মিরপুরে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার মামলায় সাবেক এমপি তুহিন গ্রেফতার জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের নৈতিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নাসডাক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হচ্ছে স্পেসএক্স, লক্ষ্য ৮০ বিলিয়ন ডলারের আইপিও এআই চিপের বাজারে রেকর্ড মুনাফা মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার

ফের পেছাল মডেল তিন্নি হত্যা মামলার রায়

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২১
  • ২৮২ বার দেখা হয়েছে

মডেল ও অভিনেত্রী সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নি হত্যা মামলার রায় ঘোষণার তারিখ আবারও পিছিয়ে গেছে। সোমবার তিন্নির বাবা সৈয়দ মাহবুব করিম ও চাচা সৈয়দ রেজাউল করিমের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন না হওয়ায় রায় ঘোষণা করা হয়নি।

আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সোমবার রাষ্ট্রপক্ষ বাদীর পুনরায় সাক্ষ্যগ্রহণের আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ কেশব রায় চৌধুরী তিন্নির বাবা-চাচার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৫ জানুয়ারি পরবর্তী তারিখ রেখেছেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, কেরানীগঞ্জের বুড়িগঙ্গা নদীর ১ নম্বর চীন মৈত্রী সেতুর ১১ নম্বর পিলারের পাশে ২০০২ সালের ১০ নভেম্বর রাতে মডেল তিন্নির মরদেহ পাওয়া যায়। পরদিন অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেন কেরানীগঞ্জ থানার তৎকালীন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. সফি উদ্দিন।

এ মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কাইয়ুম আলী সরদার। এরপর নিহত তিন্নির মরদেহের ছবি পত্রিকায় ছাপা হলে সুজন নামে নিহতের এক আত্মীয় তা শনাক্ত করেন। পরে মামলাটি চাঞ্চল্যকর মামলা হিসেবে ২০০২ সালের ২৪ নভেম্বর তদন্ত ভার সিআইডিতে ন্যস্ত হয়। তদন্তের দায়িত্ব পান তৎকালীন সিআইডির পরিদর্শক ফজলুর রহমান।

এরপর মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান সিআইডির পরিদর্শক সুজাউল হক, সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) গোলাম মোস্তফা, এএসপি আরমান আলী, এএসপি কমল কৃষ্ণ ভরদ্বাজ ও এএসপি মোজাম্মেল হক। সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা মোজাম্মেল হকই আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। তিন্নি হত্যা মামলার অভিযোগপত্রে ৪১ জনকে সাক্ষী করা হয়। এছাড়াও এই মামলায় ২২টি আলামত জব্দ করা হয়।

তদন্তে প্রাথমিকভাবে জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক অভি অভিযুক্ত হলেও পুলিশ তাকে ধরতে পারেনি। অভির অনুপস্থিতিতেই ২০১০ সালের ১৪ জুলাই ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তিন্নি হত্যা ও মরদেহ গুম সংক্রান্ত মামলায় অভির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

গত ২৬ অক্টোবর এ মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু ওই দিন রায় ঘোষণা করেননি আদালত।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026