1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৯:১২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
খুলনায় মসজিদে মুসল্লিদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়নি, চিকিৎসাধীন ১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ইসরায়েলি বিমান হামলায় লেবাননে আরও ২৭ জনের মৃত্যু, মোট নিহতের সংখ্যা পৌনে চার হাজার পার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে শামার জোসেফের রেকর্ড গড়া বোলিং, স্পর্শ করলেন রাশিদ খানকে ১১ প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তি পর্যায়ের অনুদানে আয়কর রেয়াত সুবিধা ঘোষণা ২৭ জুলাই ফের চালু হচ্ছে ঢাকা-নারিতা-ঢাকা সরাসরি ফ্লাইট পেঁয়াজ ও পাট বীজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে কাজ করছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসির ফল প্রকাশ, জুলাইয়ের শেষে মিলবে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস রাজধানীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে উচ্চপর্যায়ের সভা রেকর্ড স্বাস্থ্য বাজেটের সুফল পেতে তামাকমুক্ত দেশ গড়ার তাগিদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিশ্বকাপ ফুটবলে ক্রিকেটের ‘স্নিকো’ প্রযুক্তির ব্যবহার

মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে সংসদে সহকর্মী না পাওয়ার হতাশা প্রকাশ রুমিন ফারহানার

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
  • ৪৯ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

জাতীয় সংসদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি সংক্রান্ত বিষয়ে একা আলোচনা করার বিষয়ে গভীর হতাশা ও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এমন একটি দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে আলোচনার জন্য পুরো সংসদে ন্যূনতম পাঁচজন সদস্যের সমর্থনও মেলেনি বলে তিনি জানান।

মঙ্গলবার (১৯ মে, ২০২৬) রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে ‘ইন্টারন্যাশনাল জুরিস্টস ফোরাম ফর হিউম্যান রাইটস’ নামক একটি নবগঠিত সংগঠনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এসব কথা বলেন।

সংগঠনের উদ্বোধনী বক্তৃতায় রুমিন ফারহানা বলেন, “আমেরিকার ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট নিয়ে সংসদে আমি একা কথা বলেছি। অবাক হয়েছি আমি ছাড়া সংসদে আর একজনও এ নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেন নাই।” তিনি জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের বিদ্যমান এবং প্রস্তাবিত বাণিজ্য সম্পর্ক, শুল্ক নীতি এবং দ্বিপাক্ষিক শর্তাবলি দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। এই ধরনের বড় নীতিগত সিদ্ধান্তে সংসদের উভয় পক্ষের ব্যাপক আলোচনা ও চুলচেরা বিশ্লেষণ প্রয়োজন। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম দেখা গেছে।

জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী, যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বা জাতীয় ইস্যুতে সংসদের সাধারণ কার্যসূচি স্থগিত রেখে আলোচনার নোটিশ দিতে হলে ন্যূনতম পাঁচজন সংসদ সদস্যের যৌথ স্বাক্ষর বা সমর্থনের প্রয়োজন হয়। রুমিন ফারহানা সেই নিয়মের উল্লেখ করে বলেন, “আমি যদি পাঁচজন সংসদ সদস্যকে পেতাম আমি একটা নোটিশ দিতে পারতাম স্পিকারের কাছে যে, এই বিষয়টার উপর আমরা সংসদ সদস্য পাঁচজন আলোচনার প্রস্তাব রাখছি। কিন্তু আমি তো পাঁচজন সংসদ সদস্যই পেলাম না।”

সংসদীয় ফোরামে প্রয়োজনীয় সমর্থনের অভাবে তিনি নির্ধারিত পদ্ধতিতে আনুষ্ঠানিক আলোচনার প্রস্তাব (মোশন) উত্থাপন করতে পারেননি বলে জানান। ফলে বাধ্য হয়ে তাকে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে কার্যপ্রণালী বিধির ‘পয়েন্ট অব অর্ডার’ বা কার্যব্যবস্থা বিধির জরুরি সুযোগ ব্যবহার করে তাৎক্ষণিক বক্তব্য রাখতে হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় আলোচনার সুযোগ অত্যন্ত সীমিত এবং সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়ে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সংসদীয় বিশেষজ্ঞদের মতে, যেকোনো দেশের সাথে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত বা বাণিজ্যিক চুক্তি সম্পাদনের পূর্বে জাতীয় সংসদে এর খুঁটিনাটি বিষয় ও দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ বিতর্ক হওয়া বাঞ্ছনীয়। এটি আইনসভার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। সংসদের বিরোধী বা স্বাধীন সদস্যদের পক্ষ থেকে এই ধরণের জাতীয় ইস্যুতে যথাযথ মনোযোগ ও প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের অভাব থাকলে তা সংসদীয় গণতন্ত্রের গুণগত চর্চাকে ব্যাহত করে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় মানবাধিকার পরিস্থিতির পাশাপাশি আইনসভার কার্যকারিতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন উপস্থিত বক্তারা। একটি জবাবদিহিতামূলক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মীদের ভূমিকা জোরদার করার আহ্বান জানিয়ে সংগঠনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026