1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিএনপি সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার সময় হামের টিকার কোনো মজুত ছিল না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের নেতাদের সৌজন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত চামড়া খাতের উন্নয়নে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৫১৭ ২০২৮ সালের মধ্যে প্রাথমিকে নতুন পাঠ্যক্রম চালুর ঘোষণা চালকের অদক্ষতা ও ত্রুটিযুক্ত যান সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ: শেখ রবিউল আলম সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা প্রত্যাহার ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর চলচ্চিত্র ঐতিহ্য সংরক্ষণে ফিল্ম আর্কাইভকে আধুনিকায়ন করা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী গাঢ় বেগুনি কাতান শাড়িতে ভক্তদের নজর কাড়লেন অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ শাহজালাল বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবা চালু, একসঙ্গে সুবিধা পাবেন ৩৭ হাজার যাত্রী

নেদারল্যান্ডসকে উড়িয়ে আয়ারল্যান্ডের শুরু

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২১
  • ২২৫ বার দেখা হয়েছে

সোমবার (১৮ অক্টোবর) বল হাতে জাদু দেখান কার্টিস ক্যাম্ফার। আইরিশ পেসারের ডাবল হ্যাটট্রিকে ১০৬ রানেই আটকে যায় নেদারল্যান্ডস। জবাবে ব্যাট করতে নেমে করতে নেমে সহজেই গন্তব্যে পৌঁছে যায় আইরিশরা। জয় তুলে নেয় ৭ উইকেট। ১০৭ রান তাড়া করতে নেমে ১৫.১ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছায় আয়ারল্যান্ড।

তবে শুরুতে দলীয় ৩৬ রানে ২ উইকেট হারায় আইরিশ। সাজঘরে ফেরেন কেভিন ও’ব্রায়েন (৯) আর এন্ডি বালবির্নি (৮)।

তবে তৃতীয় উইকেটে পল স্টারলিং-গ্যারেথ ডেলানির ৫৯ রানের জুটিতে সুবিধাজনক অবস্থানে চলে যায় আয়ারল্যান্ড। ২৯ বলে ৪৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে আউট হন ডেলানি।

এরপর আইরিশদের প্রয়োজন ছিল ৪৪ বলে মাত্র ১২ রান। স্টারলিং আর কার্টিস ক্যাম্ফারের ব্যাটে জয় বন্দরে পৌঁছায় আয়ারল্যান্ড। স্টারলিং ৩৯ বলে ৩০ আর ক্যাম্ফার ৭ বলে ৭ রানে অপরাজিত থাকেন।

এদিন টানা চার বলে চার উইকেট নেওয়া ক্যাম্পারই আয়ারল্যান্ডের জয়ের নায়ক। ২৭ রানে ৪ উইকেট নিয়ে তিনিই জেতেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার। মার্ক অ্যাডায়ার আঁটসাঁট বোলিংয়ে ৩ উইকেট নেন কেবল ৯ রানে।

শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি নেদারল্যান্ডসের। তৃতীয় বলেই রান আউট হয়ে যান বেন কুপার। মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলে আউট হওয়া ডাচদের পাঁচ ব্যাটসম্যানের একজন তিনি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এই প্রথম কোনো ম্যাচে গোল্ডেন ডাকের তেতো স্বাদ পেলেন একই দলের পাঁচ জন।

প্রথম সাত ব্যাটসম্যানের কেবল দুই জন- মাক্স ও’ডাওড ও কলিন আকারম্যান যেতে পারেন দুই অঙ্কে। তাদের ব্যাটেই ঘুরে দাঁড়ানোর আশা জাগায় নেদারল্যান্ডস। কিন্তু ক্যাম্পারের অসাধারণ এক ওভারে ভীষণ বিপদে পড়ে যায় তারা।

দশম ওভারে পরপর চার বলে ডাচদের চার ব্যাটসম্যানকে বিদায় করেন ক্যাম্পার। কট বিহাইন্ডের সফল রিভিউয়ে আকারম্যানকে ফিরিয়ে শুরু তার শিকার। পরের দুই বলে রায়ান টেন ডেসকাটে ও স্কট এডওয়ার্ডসকে এলিবডব্লিউ করেন তিনি। এডওয়ার্ডসের উইকেটও আসে আরেকটি সফল রিভিউয়ে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এটি কেবল দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক। ২০০৭ আসরে বাংলাদেশের বিপক্ষে টানা তিন বলে উইকেট নিয়ে প্রথম এই কীর্তি গড়েন অস্ট্রেলিয়ার ব্রেট লি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এটাই আয়ারল্যান্ডের কারো প্রথম হ্যাটট্রিক।

পরের বলে রুলফ ফন ডার মেরওয়াকে বোল্ড করে ক্যাম্পার স্পর্শ করেন নতুন উচ্চতা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো নেন টানা চার বলে চার উইকেট। ক্রিকেটের পরিভাষায় ডাবল হ্যাটট্রিকের এই কীর্তি টি-টোয়েন্টিতে আছে আর কেবল রশিদ খান ও লাসিথ মালিঙ্গার।

২ উইকেটে ৫১ রান থেকে নেদারল্যান্ডসের স্কোর হয় ৬ উইকেটে ৫১। সেখান থেকে দলকে একশ রানে নিয়ে যান পিটার সিলার। ডাচ অধিনায়ক দুই চারে করেন ২১ রান।

একটি রান আউটসহ শেষ ৩ বলে তিন উইকেট হারিয়ে ১০৬ রানে গুটিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:-

নেদারল্যান্ডস: ২০ ওভারে ১০৬ (ও’ডাওড ৫১, কুপার ০, ডে লেডে ৭, আকারম্যান ১১, টেন ডেসকাটে ০, এডওয়ার্ডস ০, ফন ডার মেরওয়া ০, সিলার ২১, ফন বিক ১১, ক্লাসেন ০*, গ্লভার ০; স্টার্লিং ১-০-১-০, লিটল ৪-০-১৪-১, অ্যাডায়ার ৪-০-৯-৩, সিমি ৪-০-২৭-০, ক্যাম্পার ৪-০-২৬-৪, হোয়াইট ৩-০-২৭-০)

আয়ারল্যান্ড: ১৫.১ ওভারে ১০৭/৩ (স্টার্লিং ৩০*, ও’ব্রায়েন ৯, বালবার্নি ৮, ডেলানি ৪৪, ক্যাম্পার ৭*; ক্লাসেন ৩-০-১৮-১, ফন ডার মেরওয়া ৪-০-৩৫-০, ফন বিক ৩-০-১৪-০, গ্লভার ৩-০-২১-০, সিলার ২.১-০-১৪-১)

ফল: আয়ারল্যান্ড ৭ উইকেটে জয়ী

ম্যান অব দা ম্যাচ: কার্টিস ক্যাম্পার

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026