1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সোনার দাম ভরিতে কমলো ২১৫৮ টাকা, কার্যকর সকাল থেকে শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন, সভাপতি আবুল কালাম জাতীয় নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে টাইফয়েড ভ্যাকসিন, শুরু ১ আগস্ট নেতাকর্মীদের ১৭ বছরের ত্যাগ ও ঐক্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২০২৯ সালের মধ্যে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর চালুর ঘোষণা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টার্টআপ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সব ধরনের সহায়তা দেবে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রামে পাউবোর ২১ স্লুইসগেট চসিককে হস্তান্তরে ত্রিপক্ষীয় চুক্তির সিদ্ধান্ত টানা বর্ষণ ও পাহাড়ধসে কক্সবাজারে ৩২ জনের মৃত্যু, ক্ষয়ক্ষতি ৮৯০ কোটি টাকা মধ্যপ্রাচ্যে টানা ৩য় রাত ইরানে মার্কিন বাহিনীর বড় ধরনের হামলা

কত সম্পদ পাসপোর্ট পরিচালক তৌফিকের! দুদকের অনুসন্ধান ঢাকায় ফ্ল্যাট ৮টি, প্লট ৭টি বিপুল নগদ অর্থ পদোন্নতিতে অর্থ ঢালেন ঘাটে ঘাটে

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২৭১ বার দেখা হয়েছে
সাঈদ আহমেদ

ইমিগ্রেশন এবং পাসপোর্ট অধিদফতরের একজন সহকারী পরিচালকের কতই বা আর বেতন? সর্বসাকুল্যে ৪৫ হাজার টাকা। উপ-পরিচালকের বেতনও খুব বেশি নয়, ৫৫ হাজার থেকে ৬৫ হাজার টাকা। পরিচালকের বেতন ৭৫ হাজার টাকা থেকে ৮৫ হাজার টাকা। পাসপোর্টের একজন কর্মকর্তা যদি সহকারী পরিচালক থেকে ১৫ বছরে পরিচালক পদে পদোন্নতি পান তাতেও তার অন্তত কোটিপতি হওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু পাসপোর্ট পরিচালক (ঢাকা বিভাগ) মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম খান এমনই এক আলাদীনের প্রদীপ হাতে পেয়েছেন। চাকরিজীবনের দেড় দশকে তিনি হয়ে গেছেন অন্তত শত কোটি টাকার মালিক। তার সম্পদের ফিরিস্তি দেখে ভিড়মি খাচ্ছেন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন, এমনকি তদন্ত সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক)। সবার একটাই প্রশ্ন-কি করে তিনি এতো সম্পদের মালিক হলেন? এখনও তার প্রকৃত সম্পদের পরিমাণের ‘তল’ খোঁজা হচ্ছে। তবে এ পর্যন্ত হাতে যা এসেছে তাতেই সংশ্লিষ্টদের আক্কেল গুড়ুম

প্রাপ্ত তথ্য মতে, ২০০৪ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে পাসপোর্ট অধিদফতরে যোগদান করেন তৌফিকুল ইসলাম খান। প্রথম পোস্টিং যশোর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে। সেখানে ২ মাস যেতেই পোস্টিং হয় ঢাকার সাভার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে। চাকরি জীবনে তিনি নোয়াখালী, গোপালগঞ্জ, সিলেট, কুমিল্লা, ঢাকার যাত্রাবাড়ি, ঢাকাস্থ হেড অফিস, খুলনা এবং বর্তমানে ঢাকা সদর দফতরে অবস্থিত ঢাকা বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে পরিচালক হিসেবে রয়েছেন। এর মধ্যে তিনি সহকারী পরিচালক ছিলেন ৭ বছর, উপ-পরিচালক ছিলেন ৮ বছর এবং উভয়পদে মোট ১৫ বছর পূর্ণ হওয়ার ৩ মাসের মধ্যে পরিচালক পদে পদোন্নতি পান। এ সময় তিনি সর্বসাকুল্যে যথাক্রমে- ৫৫ হাজার টাকা, ৬৫ হাজার টাকা এবং এখন ৭৫ হাজার টাকা করে বেতন তুলছেন। সরকারি হিসেবের এই অর্থ গ্রহণ করেও তিনি কি করে এতো অর্থ-বিত্তের মালিক হলেন? বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026