জয়নাল আবেদীন ও ফরিদ আহমেদ বিশ্বজুড়ে সমাদৃত সার্চ ইঞ্জিন গুগল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন। তথ্য-প্রযুক্তির উৎকর্ষের ফলে বাংলাদেশে এই অনাবাসী প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবহার ক্রমেই বাড়ছে। বছরে একেকটি
নিজস্ব প্রতিবেদক সাত বছর আগে ২০১৪ সালে ঈদুল আজহার দিন বিদেশ থেকে দেশে বৈধ পথে ১৬ কোটি মিনিট টেলিফোন কল আসে। আর এবারের ঈদুল আজহার দিন ও তার আগে-পরের মোট
নিজস্ব প্রতিবেদক গ্রাহকের টাকায় দেশ-বিদেশে সম্পদের পাহাড় গড়েছে ই-অরেঞ্জ। দেশের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জ নিয়ে গোয়েন্দাদের তদন্তে পাহাড়সম নজিরবিহীন সম্পদের তথ্য উঠে আসে-যা দেখে রীতিমতো বিস্মিত গোয়েন্দারা। তাদের সম্পদের পরিমাণ দেশের
নিজস্ব প্রতিবেদকএকজন ব্যক্তির নামে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম নিবন্ধন করা সম্ভব। অথচ একটি চক্র অবৈধ ভিওআইপি (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল) ব্যবসায় টেলিটকের ৩ হাজার ৪০০ সিম ব্যবহার করে আসছিল। এর সঙ্গে
গত জুলাই মাসে লকডাউনের সময় টি-১০ অফারে অনলাইনে পণ্য বিক্রির প্রতিষ্ঠান ইভ্যালিতে একটি পালসার বাইক অর্ডার করেছিলেন নজরুল ইসলাম। ১০ দিনের মধ্যে সেটি সরবরাহ করার কথা ছিল; কিন্তু এখন পর্যন্ত
আসাদুজ্জামান এক লাখ গ্রাহকের প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জ শপের দুটি ব্যাংক হিসাব খুঁজে পেয়েছে পুলিশ। গত ২০ জুলাইয়ের হিসাব অনুযায়ী, সেই দুটি
রুকনুজ্জামান অঞ্জন সুকুমার রায়ের একটি কবিতা আছে যেখানে শহুরে এক বাবু মশাই নৌকায় চেপে মাঝির জীবন কতটা মিছে অহংকারের সঙ্গে তা-ই বলছিলেন। ঝড় ওঠার পর যখন নৌকা ডুবুডুবু; সাঁতার না
সানাউল হক সানী চটকদার অফার, নিবন্ধন করলেই বেকারত্ব শেষ। এরপর বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেখা, লাইক দেওয়া আর অন্যকে কোম্পানির সদস্য হিসেবে নিবন্ধন করতে পারলেই মিলবে টাকা। প্রথম দিকে নিবন্ধন ফি কম
টাকা আত্মসাৎ, বিদেশে পাচার, গ্রাহকের সঙ্গে প্রতারণায় কিছুদিন ধরে সরগরম ইভ্যালির নাম। এবার ই-অরেঞ্জ ও ধামাকার মতো ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উঠতে শুরু করেছে একই ধরনের অভিযোগ। ই-অরেঞ্জের প্রতারণায় সর্বস্বান্ত হয়েছেন
ডাবল ভাউচার, সিগনেচার কার্ড ও বিগ বিলিয়ন রিটার্নস—এ রকম চটকদার অফারে অস্বাভাবিক মূল্যছাড়ের ফাঁদে ফেলে হাজার হাজার গ্রাহকের সঙ্গে প্রতারণা করছে কিছু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান। কিন্তু বাস্তবে এদের কেউ কেউ মাত্র