1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও সাইবার অপরাধ রুখতে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল, ভিএআর সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ দালিচ ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে নকআউটে পর্তুগাল, রোনালদোর ম্যাচসেরা হওয়া নিয়ে বিতর্ক বিশ্বকাপ ফুটবলের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে কেপ ভার্দে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিল আলজেরিয়া ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ায় মার্কিন পাইলটকে গুলি করে হত্যা, বিমান অগ্নিদগ্ধ লস অ্যাঞ্জেলেসে নাইট রাইডার্স গ্রুপের বিশ্বমানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম উদ্বোধন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্যের প্রস্তুতি সম্পন্ন: যোগ দিচ্ছেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান

বাংলাদেশ থেকে পোশাক ও ওষুধ আমদানির পরিধি বাড়াতে নিউজিল্যান্ডকে আহ্বান

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
  • ৫১ বার দেখা হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক

বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য আমদানি বাড়ানোর জন্য নিউজিল্যান্ড সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। রবিবার (১৭ মে) রাজধানীতে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে তার দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত নিউজিল্যান্ডের হাইকমিশনার ডেভিড পাইন-এর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠককালে তিনি এ আহ্বান জানান। বৈঠকে উভয় দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আধুনিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

বৈঠক সূত্র জানায়, আলোচনার শুরুতে প্রতিমন্ত্রী নিউজিল্যান্ডের প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং রফতানি খাতের বৈচিত্র্যকরণে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরে তিনি বলেন, তৈরি পোশাক, জীবনরক্ষাকারী ওষুধ এবং চামড়াজাত পণ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পণ্যের গুণগত মান এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃত। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে নিউজিল্যান্ডের মতো উন্নত বাজারে এই পণ্যগুলোর রফতানি বৃদ্ধির বিশাল সম্ভাবনা ও সুযোগ রয়েছে। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে উভয় দেশই অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দেশের সামগ্রিক খাদ্য পরিস্থিতি ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। এই লক্ষ্য অর্জনে এবং ভেজালমুক্ত খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি সংস্কারসহ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে খাদ্য সংরক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নিউজিল্যান্ডের উন্নত অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য সহায়ক হতে পারে। তিনি নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান আদান-প্রদানে নিউজিল্যান্ডের কার্যকর সহযোগিতা কামনা করেন।

অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার পাশাপাশি শিক্ষা ও গবেষণা খাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। তিনি নিউজিল্যান্ডের বিভিন্ন নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তির সুযোগ বৃদ্ধি এবং বিশেষায়িত শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সুবিধা সম্প্রসারণের জন্য হাইকমিশনারকে অনুরোধ জানান। এর মাধ্যমে দুই দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতি খাতের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

নিউজিল্যান্ডের হাইকমিশনার ডেভিড পাইন বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং বিশেষ করে খাদ্য নিরাপত্তা ও খাদ্য ব্যবস্থাপনায় সরকারের অর্জিত সফলতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং অত্যন্ত সুদৃঢ়। ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। হাইকমিশনার নিউজিল্যান্ডের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মেধা, দক্ষতা এবং দেশটির অর্থনীতি ও সমাজে তাদের ইতিবাচক অবদানের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও শিক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ব্যাপারে তার সরকার ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।

উচ্চপর্যায়ের এই দ্বিপাক্ষিক সাক্ষাৎকালে নিউজিল্যান্ডের কৃষি বিষয়ক কাউন্সিলর মিলানি ফিলিপস ও অনারারি কনসাল শামসুল আলম মল্লিক উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের পক্ষে খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানাসহ খাদ্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশ নেন। সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মহল মনে করছেন, এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশ নিউজিল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের রফতানি বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং নিরাপদ খাদ্য প্রযুক্তির আদান-প্রদানে নতুন দিগন্তের উন্মোচন হতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026