জিয়াদুল ইসলাম রপ্তানি বাণিজ্য উত্সাহিত করতে সরকারের নগদ সহায়তার ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়ম ও জালিয়াতি হচ্ছে। পণ্য রপ্তানি না করে ভুয়া ও জাল সনদ দাখিল করে অর্থ তুলে নেওয়ার ঘটনা ঘটছে।
বনানী থানার সদ্য বরখাস্ত হওয়া পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ সোহেল রানার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। তবে এই অভিযোগ মোটেও যেনতেন অভিযোগ নয়। পুলিশের ইউনিফর্ম গায়ে পরার পর থেকে অবৈধভাবে
আবু আলীগ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ, বাড়তি দামে জমি কেনা, অধিক উন্নয়ন ব্যয় এবং রেজিস্ট্রেশন খরচ অতিরিক্ত দেখিয়ে কয়েকশ কোটি টাকার অনিয়ম করা হয়েছে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে। এসব অনিয়মের সঙ্গে
১০ টাকার হিসাবধারীদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠন করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ তহবিল থেকে পাড়া-মহল্লা গ্রামে ছোট ও অতিক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও পেশাজীবী, কামার, কুমার, জেলে, ভূমিহীন কৃষক, হকার,
জয়নাল আবেদিন: কভিড-১৯ মহামারিতে অর্থনৈতিক ঝুঁকি সামলাতে ঘোষণা করা হয়েছে প্রণোদনা প্যাকেজ। প্রথম পর্যায়ে এক লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করলেও পরে আরও বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু ব্যাংক ঋণভিত্তিক এসব
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি গ্রাহকদের পর এবার পণ্য সরবরাহকারীদের কাছে কত টাকা দেনা আছে তা জানাল। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তাদের কাছে পণ্য সরবরাহকারীরা প্রায় ২০৬ কোটি টাকা পাবেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে গত ২
ভারতে আটক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের কথিত পৃষ্ঠপোষক বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শুক্রবার রাতেই স্থানীয় মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয় বিএসএফ। সোহেলের কাছ
গ্রাহকের ৭৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের পৃষ্ঠপোষক বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন: ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া
নিজস্ব প্রতিবেদকপণ্য সরবরাহ করতে না পেরে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান সিরাজগঞ্জ শপ ও আলাদিনের প্রদীপ গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে শুরু করেছে। গ্রাহকেরা যেই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পণ্য কেনার জন্য টাকা দিয়েছিলেন, সরকারি
আস্থার সঙ্কটে ই-কমার্স নানামুখী প্রতারণা রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে একযোগে কাজ করছে সরকারের নয় সংস্থা রহিম শেখ ॥ বাংলাদেশে গত কয়েক বছর ঘরে বসে অনলাইনে পণ্য কেনাকাটা বা ই-কমার্স