ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ‘ধামাকা শপিং’ এর নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে ৮০৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ইনভেরিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেড। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গতকাল মানি লন্ডারিংয়ের মামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক ইনভেরিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেডের নামে নিবন্ধন ও ট্রেড লাইসেন্স নিয়েছিলেন এস এম ডি জসীম উদ্দিন চিশতী নামের এক ব্যক্তি। পরে ই–কমার্স ‘ধামাকা’ শপিং নামের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে
/জামাল উদ্দীন ‘ঋণগ্রহীতার কাছে ব্যাংকারের প্রশ্ন—টাকা ফেরত দেবেন, নাকি অন্য মতলব আছে? ফেরত দিলে এক রকম, না দিলে অন্যরকম।’—এটি একসময়কার ব্যাংকিং খাতের প্রচলিত গল্প। তারপর নানা সংস্কার, নানা কিছু। সরকারি
শেখ আবু তালেব: বর্তমানে দেশের ব্যাংকগুলো বেসরকারি খাতে ঋণ দিচ্ছে সাত থেকে সর্বোচ্চ আট শতাংশ সুদে, অথচ প্রণোদনা ঋণ বিতরণ করছে ৯ শতাংশ সুদে। এ হিসাবেই সরকারের কাছ থেকে ভর্তুকি নিতে
সাইদ সবুজ, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম কেইপিজেডের প্রতিষ্ঠান মেসার্স পিআরএম ফ্যাশন প্রাইভেট লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠান। বন্ড সুবিধার আওতায় বন্ডেড শিল্প প্রতিষ্ঠান হিসেবে এটি ২০১৩ সালে চট্টগ্রাম বন্ড কমিশনারেটে নিবন্ধিত হয়। এরপর কয়েক বছর
নিজস্ব প্রতিবেদক গুলশানের ফু ওয়াং বারের ৪১ কোটি ৮ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকির তথ্য উদঘাটন করেছে ভ্যাট নিরীক্ষা গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের
লাগামহীন ঋণ জালিয়াতি, দুর্বল অভ্যন্তরীণ শাসন ও করোনার প্রভাবে নন ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর কমেছে আয়, বেড়েছে ব্যয়। খেলাপি ঋণ ও লিজ বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ।
নিজস্ব প্রতিবেদকগ্রাহককে ঠকানোর অভিযোগে আলোচিত ই-কমার্স কোম্পানি ইভ্যালিতে বিনিয়োগ না করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের অন্যতম শিল্প গ্রুপ যমুনা। গ্রুপটির পরিচালক (মার্কেটিং, সেলস অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ আলমগীর আলম মঙ্গলবার এক
The government today approved a Taka 4,300 crore project to groom the country’s youth folk, women and disadvantageous section of people suitable for getting employed and thus build themselves as
সাইদ শাহীন ও আবু তাহের বিনিয়োগকারীদের অস্বাভাবিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে আর্থিক প্রতারণার বিষয়টিকে বলা হয় পনজি স্কিম। শুরুতে কিছু রিটার্নও পেয়ে থাকেন বিনিয়োগকারীরা। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পুরনো বিনিয়োগকারীদের পাওনা রিটার্ন পরিশোধ করা হয় নতুন বিনিয়োগকারীদের অর্থ থেকে। বিনিয়োগের প্রবাহ কমে গেলে বা গ্রাহকরা একযোগে অর্থ তুলে নিতে গেলে গোটা স্কিমই ধসে পড়ে। এসব ক্ষেত্রে গ্রাহকরা বিনিয়োগকৃত টাকা আর কখনই ফেরত পান না। জালিয়াতির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পথ খুঁজতে থাকেন স্কিমের উদ্যোক্তারা।