শর্ত ও অর্থের বিনিময়ে সম্প্রতি রাজধানীর কিছু এলাকার আবাসিক প্লট বাণিজ্যিক করার সুযোগ দেয় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। তাদের এ সিদ্ধান্তে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। নগর পরিকল্পনাবিদরা মনে করছেন, আবাসিক
আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন তেল, পাম তেল, চিনি, আটা তৈরির গম, পেঁয়াজ, মসুর ডাল, ছোলা ও মটর ডাল— আটটি পণ্যের দাম রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর সময়কার তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে কমলেও দেশের বাজারে
পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা বা আর্জেন্টিনার মতো এখনো গভীর সংকটে থাকা কিছু দেশ ছাড়া অন্যরা মূল্যস্ফীতি কমাতে পারছে। ভারতে মূল্যস্ফীতি এখন ৫ শতাংশের নিচে, যা গত ১৮ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। মূল্যস্ফীতি কমছে
বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৪৪ জন শিল্পোদ্যোক্তাকে ২০২১ সালের জন্য বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (শিল্প) তথা সিআইপি (শিল্প) হিসেবে সম্মাননা প্রদান করেছে শিল্প মন্ত্রণালয়। ‘সিআইপি (শিল্প) নীতিমালা ২০১৪’ অনুযায়ী বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে শিল্প
বাংলাদেশে এ বছর এমন একসময়ে বাজেট ঘোষণা হচ্ছে, যখন দেশটিতে উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং আর্থিক সংকট চলছে, সেই সঙ্গে বছর শেষে হতে যাচ্ছে জাতীয় নির্বাচন। মূল্যস্ফীতি কমানো, আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়ন, রাজস্ব
দেশের অন্যতম বৃহৎ ভোগ্যপণ্যের বাজার খাতুনগঞ্জে চলছে মূল্যবৃদ্ধির লাগামহীন ঘোড়দৌড়। দেড় বছরের ব্যবধানে কোনো কোনো পণ্যের দাম বেড়েছে দুই থেকে তিন গুণ। হু হু করে ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ার জন্য রাশিয়া-ইউক্রেন
দুই বছর আগে ঠিক আজকের দিনে বাজারে এক কেজি খোলা আটার দাম ছিল ৩০ থেকে ৩২ টাকা। গতকাল রোববার সেই একই আটা বিক্রি হয়েছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি। হিসাবটি
গত সপ্তাহে বাংলাদেশের রাজনৈতিক আবহাওয়া হঠাৎ করে খুব গুমোট হয়ে গিয়েছিল। প্রাকৃতিক ঝড় মোখার ছোবল থেকে অনেকটাই আঁচড়মুক্ত থাকলেও মনে হচ্ছে আন্তর্জাতিক রাজনীতির ঝড়ের কবলে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এটা এক
নিত্যপণ্যের বাজার অস্থির হতে হতে এখন এমন পর্যায়ে এসেছে যে, এখন বাজারে গিয়ে টাকাওয়ালারা হিমশিম খাচ্ছেন। চোখের নিমেষে বদলে যাচ্ছে বাজার পরিস্থিতি। করোনার পরে মানুষের অর্থনীতি দাঁড়াতে না দাঁড়াতেই একের
উন্নত জীবনযাপনের ‘আমেরিকান ড্রিম’ চোখে নিয়ে প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমাচ্ছেন বহুসংখ্যক বাংলাদেশী। যুক্তরাষ্ট্রের সেনসাস ব্যুরোর (ইউএসসিবি) সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের শেষে সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশীর সংখ্যা ছিল প্রায় ২ লাখ ৬৪ হাজার। এর মধ্যে কর্মসংস্থান হয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজারের কিছু বেশির। দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশীদের খানাপিছু গড় বার্ষিক আয় ৬৮ হাজার ডলারের কিছু কম। ইউএস ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিকসের (্ইউএসবিএলএস) হিসাব অনুযায়ী, দেশটিতে ২০২১ সালে খানাপিছু গড় ব্যয় ছিল প্রায় ৬৭ হাজার ডলার। সে অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশী খানাগুলোর উপার্জনকারীরা গোটা বছরজুড়ে আয় করেছেন দেশটির গড় খানাপিছু ব্যয়ের চেয়ে সামান্য বেশি। এ হিসাব আমলে নিলে বাংলাদেশী পরিবারগুলোর উদ্বৃত্ত বা সঞ্চয়ও খুব বেশি হওয়ার কথা না। যদিও এ যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশীরাই এখন দেশের রেমিট্যান্সের সবচেয়ে বড় উৎস। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩০৪ কোটি ৭৩ লাখ ৭০ হাজার ডলার। সে অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রত্যেক বাংলাদেশী প্রতি মাসে গড়ে ২ হাজার ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন বাংলাদেশে। যদিও সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশীদের বক্তব্য হলো প্রতি মাসে জীবনযাপনের ব্যয় বহন করে দেশে ২ হাজার ডলার পাঠানো বেশির ভাগ বাংলাদেশী প্রবাসীর পক্ষেই প্রায় অসম্ভব। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরবে। জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত সৌদি আরবে শ্রমিক হিসেবে গিয়েছেন ৫৪ লাখের বেশি