এশিয়ার প্রধান দেশগুলোয় চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে উদ্যোক্তা তহবিল গত বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০২৩ সালের প্রথমার্ধেও সার্বিকভাবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় তহবিলের সূচক নিম্নমুখী। ভারত, চীন
খেলাপি ঋণ কম দেখাতে পুনঃতফসিলের নীতি উদার করে চলছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এখন চাইলে নিজেরাই যেকোনো ঋণ পুনঃতফসিল করতে পারছে। নীতি ছাড়ের এ সুযোগে ব্যাংকগুলোও ঋণ পুনঃতফসিলের রেকর্ড গড়েছে।
জমি এবং ফ্ল্যাটের নির্মাণসামগ্রীর দাম বেড়েছে। বেড়েছে নিবন্ধন খরচও। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে কমে গেছে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা। এসব কারণে মন্দা অবস্থা চলছে দেশের আবাসন খাতে। আবাসন ব্যবসার এ অবস্থার জন্য বিদ্যমান
ডলার–সংকট কাটেনি। টাকার মানও কমছে। সরকারের আয় কম। এ কারণে সরকারকে ঋণের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। অন্যদিকে কমেছে বেসরকারি খাতের ঋণ। সব মিলিয়ে সংকট থেকে উত্তরণের পথে নেই দেশের অর্থনীতি।
স্বল্প আয়ের মানুষের পুষ্টির বড় অংশ পূরণ করে ফার্মের মুরগির ডিম। সেটির দামও লাফিয়ে বেড়ে এখন রেকর্ড গড়েছে। গতকাল শনিবার খুচরা বাজারে ডিমের ডজন বিক্রি হয়েছে ১৭০ টাকা। এতে সবচেয়ে
সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ১১টি নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সাইবার হামলারোধে ব্যাংকগুলো কী করবে এ বিষয়ে জানিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত সপ্তাহে প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিঠি দিয়েছে।
স্বীকৃত বিলের মূল্য যথাসময়ে পরিশোধ করা নিয়ে ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে গড়িমসির অভিযোগ উঠেছে। এ গড়িমসির ফলে এ সংক্রান্ত অনিষ্পন্ন বিলের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে; সেই সঙ্গে বাড়ছে আটকে থাকা অর্থের পরিমাণ।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসীরা নিয়মিত পাঠাচ্ছেন বৈদেশিক মুদ্রা। এদিকে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য দিনকে দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। ফলে প্রতিদিনের মুদ্রা বিনিময়ের হার জেনে রাখা প্রয়োজন। তবে যেকোনো সময়
২০২২ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হারে অবমূল্যায়ন হয়েছে ২৭ শতাংশের বেশি। সামনের দিনগুলোয় এ ধারা অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে। দেশের সার্বিক অর্থনীতিতেও এর প্রভাব এখন
বাজার সিন্ডিকেটের দাপট এতটাই বেড়েছে যে, অসহায় হয়ে পড়েছে দেশের সর্ব শ্রেণির মানুষ। অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি কোনোভাবেই থামছে না। সরকার এইসব সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর না হওয়ায় অবস্থা দিনকে দিন আরও