জাতীয় দলের হয়ে নিয়মিতই দ্বি-পাক্ষিক সিরিজ, বিশ্বকাপ কিংবা এশিয়া কাপের মতো বড় আসরে খেলেন ক্রিকেটাররা। তবে এশিয়ান গেমসের মতো বহু-খেলার আসরে অংশ নেওয়ার সুযোগটা আলাদা। এবার সেই অভিজ্ঞতাই হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক লিটন কুমার দাসসহ অনেক ক্রিকেটারের। তার কাছে এশিয়ান গেমস শুধু আরেকটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট নয়, বরং দেশকে বড় কিছু এনে দেওয়ার সুযোগ।
এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটে বাংলাদেশের লক্ষ্যও পরিষ্কার, ফাইনালে ওঠা। কারণ ফাইনালে পৌঁছাতে পারলেই স্বর্ণ জয়ের সুযোগ তৈরি হবে। লিটনের ভাবনায় আপাতত তাই ম্যাচ ধরে এগোনো এবং নিজেদের কাজটা ঠিকভাবে করা।
বুধবার সংবাদ সম্মেলনে লিটন বলেন, ‘অবশ্যই বাংলাদেশ দল এর আগেও অনেকবার খেলেছে। তবে আমার ক্ষেত্রে এবারই প্রথম খেলার সুযোগ হচ্ছে। আমার কাছে এটা অনেক বড় ব্যাপার- জাতীয় দলের হয়ে তো খেলছি, একই সঙ্গে এমন একটি আসরে খেলার সুযোগ পাওয়াটাও বড় বিষয়। সবসময় জিতলে একটা ট্রফি পাওয়া যায়, কিন্তু এখানে স্বর্ণপদকের বিষয় আছে। এটিই একটা বড় স্বপ্ন। আমার মনে হয়, সব খেলোয়াড়ই এ নিয়ে অনেক রোমাঞ্চিত।’
এশিয়ান গেমসে ভালো করলে ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে ক্রিকেট খেলার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে। তবে লিটনের কাছে এখনই অলিম্পিক নিয়ে ভাবার চেয়ে বর্তমান আসরেই মনোযোগ দেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, ‘অলিম্পিকে কে খেলতে চায় না? তবে সবার আগে আমরা যে ইভেন্টের জন্য যাচ্ছি, সেখানে যদি ভালো খেলতে পারি, আমার মনে হয় শেষ পর্যন্ত আমরা ওই জায়গায়ও পৌঁছাতে পারব। তাই আমাদের ফোকাস হচ্ছে এই ইভেন্টে কিভাবে ভালো করা যায় এবং কিভাবে ফাইনাল পর্যন্ত যাওয়া যায়। কারণ ফাইনালে খেলতে পারলেই স্বর্ণ জেতার সুযোগ থাকবে। তার আগে তো ফাইনালে যেতে হবে। ক্রিকেটে আমরা যেটা বলি- সবসময় ম্যাচ বাই ম্যাচ। আমরাও ম্যাচ বাই ম্যাচ এগোব। আর বড় লক্ষ্য হচ্ছে সেটাই।’
এশিয়ান গেমসের আরেকটি দিকও লিটনকে টানে। ক্রিকেটের বাইরে অন্য খেলাগুলো দেখার এবং বিভিন্ন দেশের অ্যাথলেটদের সঙ্গে মেশার সুযোগ। বিকেএসপির ছাত্র থাকার সময় থেকেই অন্যান্য খেলার সঙ্গে পরিচিতির অভিজ্ঞতা থাকায় এমন সুযোগ পেলে সেটিকে কাজে লাগাতে চান তিনি।