1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
থ্যালাসেমিয়া ও জন্মগত বিরল রোগে আক্রান্তদের নিবন্ধনে জাতীয় ডেটাবেজ তৈরির প্রস্তাব বিচারে সাধারণ নাগরিকের ন্যায়বিচার নিশ্চিত হওয়াই রাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বড় সাফল্য: অ্যাটর্নি জেনারেল নারীদের কর্মসংস্থান ও সুবিধাবঞ্চিতদের উন্নয়ন সরকারের মূল লক্ষ্য: বিরামপুরে সেলাই মেশিন ও চেক বিতরণকালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নারীদের কর্মসংস্থান ও সুবিধাবঞ্চিতদের উন্নয়ন সরকারের মূল লক্ষ্য: বিরামপুরে সেলাই মেশিন ও চেক বিতরণকালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী কক্সবাজার সুসজ্জিতকরণসহ পর্যটন খাত প্রসারে সরকারের মাস্টারপ্ল্যান তিন বছরের মধ্যে দেশে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা: দিনাজপুরের অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বাংলাদেশে সব সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ফিরে ভিসাসংক্রান্ত জটিলতায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীদের সহায়তায় হটলাইন চালু করছে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় হরতাল-অবরোধেও অটোপাসের সুযোগ নেই: রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু

রাজধানীতে ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে ৪৩৩ জন গ্রেপ্তার, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে

রাজধানী ডেস্ক

রাজধানী ঢাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক নির্মূল এবং সার্বিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন থানা ও বিভাগ পরিচালিত ২৪ ঘণ্টার এক বিশেষ অভিযানে ৪৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানকালে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, চোরাই মোবাইল ফোন, বিভিন্ন ধরনের ধারালো ও ক্ষতিকর অস্ত্র এবং অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে অপরাধ সংঘটন ও আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে বিভিন্ন থানায় ২৭টি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া পুলিশের এই সমন্বিত তৎপরতায় এক ভিকটিমকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

শুক্রবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ডিএমপির বিভিন্ন অপরাধ বিভাগ ও গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) দলসমূহ রাজধানীর বিভিন্ন কৌশলগত স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

ডিএমপি সূত্রে পাওয়া বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সর্বাধিক সংখ্যক অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মিরপুর বিভাগ থেকে, যার সংখ্যা ১২২ জন। এর পরপরই মতিঝিল বিভাগ থেকে ৯৬ জন এবং উত্তরা বিভাগ থেকে ৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৩৮ জন, গুলশান বিভাগ থেকে ৩৮ জন, ওয়ারী বিভাগ থেকে ৩৬ জন, রমনা বিভাগ থেকে ২৭ জন এবং লালবাগ বিভাগ থেকে ২৪ জনকে আইনশৃঙ্খলার আওতায় আনা হয়েছে। একই সময়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পরিচালনা করে পৃথক অভিযান, যেখান থেকে ৩ জন চিহ্নিত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযান পরিচালনাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অপরাধীদের হেফাজত থেকে ২৪ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা এবং ৯৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন। মাদকের পাশাপাশি অপরাধীদের ব্যবহৃত এবং ছিনতাইকৃত ৩০টি বিভিন্ন মডেলের মোবাইল ফোন, ৩টি ধারালো চাকু, অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত একটি বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার যন্ত্র, ৩টি পরিত্যক্ত গুলি, একটি মিশুক এবং একটি মোটরসাইকেল আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশের সময়োচিত পদক্ষেপে অপহৃত এক ভিকটিমকে সফলভাবে উদ্ধার করে আইনগত প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হয়েছে।

ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে নগরে চুরি, ছিনতাই এবং মাদকের বিস্তার প্রতিরোধে বিশেষ কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। রাজধানীর প্রতিটি পুলিশ বিভাগকে স্ব-স্ব এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার এবং নিয়মিত টহল ও ব্লক রেইড পরিচালনায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঘনবসতিপূর্ণ ও অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোকে চিহ্নিত করে এই ধরনের সাঁড়াশি অভিযান চালানো হচ্ছে, যা মহানগরের নিরাপত্তা বজায় রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

পুলিশ কর্মকর্তা নিয়াজ মেহেদী জানান, মহানগরীকে নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত রাখতে ডিএমপির এই নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যেই সম্পন্ন করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে। মাদক ব্যবসার সাথে যুক্ত এবং অবৈধ অস্ত্রধারী চক্রগুলোর মূল উৎপাটনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শূন্য সহনশীলতা নীতি বজায় থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আইনশৃঙ্খলা বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত এ জাতীয় অভিযানের মাধ্যমে চিহ্নিত অপরাধী ও মাদক কারবারীদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলে রাজধানীর সার্বিক সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় হবে। তবে গ্রেপ্তার অভিযানের পাশাপাশি অপরাধের মূল কারণ উন্মোচন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা শহরের মতো মেগাসিটিতে স্থায়ী শান্তি ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও সাধারণ জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সচেতনতা জোরদার করার বিষয়টিও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026