1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
থ্যালাসেমিয়া ও জন্মগত বিরল রোগে আক্রান্তদের নিবন্ধনে জাতীয় ডেটাবেজ তৈরির প্রস্তাব বিচারে সাধারণ নাগরিকের ন্যায়বিচার নিশ্চিত হওয়াই রাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বড় সাফল্য: অ্যাটর্নি জেনারেল নারীদের কর্মসংস্থান ও সুবিধাবঞ্চিতদের উন্নয়ন সরকারের মূল লক্ষ্য: বিরামপুরে সেলাই মেশিন ও চেক বিতরণকালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নারীদের কর্মসংস্থান ও সুবিধাবঞ্চিতদের উন্নয়ন সরকারের মূল লক্ষ্য: বিরামপুরে সেলাই মেশিন ও চেক বিতরণকালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী কক্সবাজার সুসজ্জিতকরণসহ পর্যটন খাত প্রসারে সরকারের মাস্টারপ্ল্যান তিন বছরের মধ্যে দেশে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা: দিনাজপুরের অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বাংলাদেশে সব সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ফিরে ভিসাসংক্রান্ত জটিলতায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীদের সহায়তায় হটলাইন চালু করছে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় হরতাল-অবরোধেও অটোপাসের সুযোগ নেই: রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্বসংস্থার সদর দপ্তরে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত সাধারণ অধিবেশনে বক্তৃতা দেবেন তিনি। সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বিশ্বমঞ্চে এটিই হবে তাঁর প্রথম নিউইয়র্ক সফর এবং জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রথম ভাষণদান। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বহুপক্ষীয় কূটনৈতিক তৎপরতায় এবারের জাতিসংঘ অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন নির্বাচিত সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। সভাপতি পদে বাংলাদেশের এই সাফল্য এবং একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিশ্বমঞ্চে উপস্থিতি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে দেশের ভাবমূর্তি বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ মহল।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সরকারপ্রধানের এই গুরুত্বপূর্ণ সফরটি হবে তুলনামূলক সংক্ষিপ্ত ও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক। তিনি নিউইয়র্কে প্রায় চার থেকে পাঁচ দিন অবস্থান করবেন এবং দায়িত্ব পালন শেষে আগামী ২৫ অথবা ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার উদ্দেশে নিউইয়র্ক ত্যাগ করবেন। সরকারি খরচ সাশ্রয় ও কার্যকারিতা বজায় রাখার নীতি অনুসরণ করে এই সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরসঙ্গীর সংখ্যা ৩৫ জনের মধ্যে সীমিত রাখা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে প্রধানমন্ত্রী বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচি ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন। এর মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক আয়োজিত আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া সফরকালীন জাতিসংঘ সদর দপ্তরের পার্শ্বপ্রোথায় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি সাইডলাইন দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হবেন প্রধানমন্ত্রী। বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট, ভূ-রাজনৈতিক স্থায়িত্ব এবং দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণসহ একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এসব বৈঠকে গুরুত্ব পাবে। পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশি জনগোষ্ঠীর সঙ্গে এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়ে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরিতে প্রবাসীদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও জাতিসংঘের কার্যসূচি সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সার্বিক প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠন, বিশ্বব্যাপী পরিবর্তন মোকাবিলা এবং সবার জন্য একটি কার্যকর জাতিসংঘ গড়ে তোলা’। বিশ্বসংস্থার মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এই প্রতিপাদ্যকে বর্তমান বিশ্বের মুখোমুখি সংঘাতময় পরিস্থিতি ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় বহুপক্ষীয় কূটনীতি ও বৈশ্বিক সংহতি জোরদার করার একটি বলিষ্ঠ সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

৮১তম অধিবেশনে সাধারণ পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি ড. খলিলুর রহমান বিশ্ব পরিচালনা ও জাতিসংঘের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে ছয়টি প্রধান অগ্রাধিকার ক্ষেত্র নির্ধারণ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ২০৩০ এজেন্ডা ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নের গতি ত্বরান্বিতকরণ, বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন রোধ ও পরিবেশ সুরক্ষায় টেকসই ভূমিকা, আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের সংরক্ষণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ (এআই) দ্রুত বিকাশমান প্রযুক্তির নিরাপদ ও সুষম শাসনব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং জাতিসংঘের সার্বিক প্রশাসনিক কাঠামোগত সংস্কার। বিশ্ব শান্তি ও সার্বিক নিরাপত্তার প্রেক্ষাপটে ঐতিহ্যগত সংঘাত নিরসনের পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক কূটনীতি, টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধের হাত থেকে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করা হচ্ছে।

এ ছাড়া বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন অর্থায়নের তীব্র ঘাটতি হ্রাস করা, বৈশ্বিক ডিজিটাল কমপ্যাক্ট বা বৈশ্বিক ডিজিটাল চুক্তি বাস্তবায়ন এবং উদ্ভূত বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলার উপযোগী করে জাতিসংঘকে ঢেলে সাজানোর সার্বিক কৌশল প্রণয়ন নিয়ে অধিবেশনে আলোচনার কথা রয়েছে।

বিশ্ব সংস্থার সার্বিক দিনপঞ্জি অনুযায়ী, সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরুর পর আগামী ২২ সেপ্টেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক পর্ব। নির্দিষ্ট কার্যসূচি অনুযায়ী ২২ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর এবং পরবর্তীতে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিশ্বনেতাদের এই বাকবিতণ্ডা ও ভাষণের পর্ব বহাল থাকবে। বিশ্বসংস্থার সদস্য ১৯৩টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানগণ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সর্বোচ্চ গণতান্ত্রিক ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে বিশ্বরাজনীতি, সামরিক সংঘাত, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, মানবাধিকার পরিস্থিতি, জলবায়ু পরিবর্তন ও বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে নিজস্ব রাষ্ট্রীয় দৃষ্টিভঙ্গি ও আন্তর্জাতিক রূপরেখা তুলে ধরবেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026