1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রায় ৩.৬৫ লাখ মেট্রিক টন সার ও দুই কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন লর্ডস টেস্টের স্কোয়াড থেকে ব্রাইডন কার্স বাদ মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের ফোনালাপ ও তেহরান সফর রাজধানীর কলাবাগান থানায় নটর ডেম কলেজের সাবেক শিক্ষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার খেলার মাঠের বাইরে ইউরোপীয় ফুটবলের করপোরেট লড়াই ও ব্র্যান্ড মূল্যের শীর্ষস্থান ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ জোরালো করার পাশাপাশি সামরিক বিকল্পও খোলা রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র বায়তুল মোকাররমে ১৫ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়নে পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর আসন্ন এশিয়ান গেমসে পদক জয়ের লক্ষ্য ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের প্রস্তুতি পর্যালোচিত মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে পিপিপি মডেলে বিনিয়োগের আহ্বান

মোবাইল আমদানিতে শুল্ক-সুবিধার মেয়াদ শেষ, ১ জুলাই থেকে বাড়ছে দাম

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬
  • ৩১ বার দেখা হয়েছে

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক

আগামী ১ জুলাই থেকে দেশের বাজারে আমদানিকৃত স্মার্টফোনের দাম উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেতে পারে। মোবাইল ফোন আমদানির ক্ষেত্রে সরকারের দেওয়া সাময়িক শুল্ক-সুবিধার মেয়াদ আগামী ৩০ জুন শেষ হতে যাচ্ছে। নতুন করে এই সুবিধার মেয়াদ বৃদ্ধি করা না হলে আমদানি পর্যায়ে মোবাইল ফোনের করভার পুনর্বহাল হবে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের খুচরা বাজারে। খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন কর কাঠামো কার্যকর হলে বাজারে আমদানিকৃত হ্যান্ডসেটের দাম ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে সরকার আমদানিকৃত সম্পূর্ণ তৈরি (সিবিইউ) মোবাইল ফোনের কাস্টমস ডিউটি বা আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ১০ শতাংশে নামিয়ে এনেছিল। এর ফলে কাস্টমস ডিউটির পাশাপাশি মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট), অগ্রিম আয়কর (এআইটি) এবং অন্যান্য নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্কসহ আমদানিকৃত মোবাইলের ওপর মোট করভার কমে ৪৩ দশমিক ৪৩ শতাংশে দাঁড়ায়। দেশের বাজারে স্মার্টফোনের প্রাপ্যতা সহজ ও সাশ্রয়ী করতে সরকার এই বিশেষ সুবিধা প্রদান করেছিল, যার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয় ৩০ জুন পর্যন্ত।

মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এমআইওবি) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারের দেওয়া এই শুল্ক-সুবিধার মেয়াদ আর বৃদ্ধি করা না হলে ১ জুলাই থেকে আমদানিকৃত মোবাইল ফোনের ওপর আগের শুল্ক হার কার্যকর হবে। এর ফলে তৈরি মোবাইল আমদানির ক্ষেত্রে মোট করভার ৪৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ থেকে একলাফে বেড়ে ৬৪ দশমিক ২৫ শতাংশে পৌঁছাবে। অতিরিক্ত এই শুল্কের কারণে বাজারে প্রতিটি আমদানিকৃত স্মার্টফোনের খুচরা মূল্য বর্তমানের তুলনায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কর বৃদ্ধির এই চাপ সরাসরি সাধারণ গ্রাহকদের ওপর গিয়ে পড়বে। বিশেষ করে মধ্য ও উচ্চ সারির বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের যেসব স্মার্টফোন সরাসরি বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়, সেগুলোর দাম মডেলভেদে কয়েক হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে। এতে বাজেট সচেতন ক্রেতারা নতুন প্রযুক্তি ক্রয়ের ক্ষেত্রে নতুন করে ভাববেন, যা সার্বিক মোবাইল বিক্রির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

শুল্কের এই সম্ভাব্য পরিবর্তনের ফলে দেশের স্থানীয় মোবাইল সংযোজন ও উৎপাদনকারী শিল্পগুলো কিছুটা বাড়তি সুবিধা পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বাজারে আমদানিকৃত ফোনের চাহিদা পুরোপুরি দেশীয় উৎপাদন দিয়ে পূরণ করা সম্ভব না হলে হ্যান্ডসেট চোরাচালান বা অবৈধ পথে মোবাইল আসার প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অপরাধ ও বাজার বিশেষজ্ঞরা। শুল্ক কাঠামো পুনর্নির্ধারণের এই প্রক্রিয়াটি দেশের প্রযুক্তি খাতের সামগ্রিক বিকাশ ও ডিজিটাল রূপান্তরের গতিকে কীভাবে প্রভাবিত করে, তা আগামী দিনগুলোতে স্পষ্ট হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026