1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০৪:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শহীদ জিয়ার দেশপ্রেম ও সততা তরুণদের জানাতে হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী স্বাধীনভাবে নেতাকে স্মরণ করার সুযোগ হয়েছে ১৭ বছর পর : মির্জা ফখরুল পরপর দুই ম্যাচে একই কায়দায় হিট উইকেট: অনন্য রেকর্ডে সু সুদর্শন সোনারগাঁয়ে নানা কর্মসূচিতে শহীদ জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উদযাপিত শাহজালাল বিমানবন্দরের নতুন এটিসি টাওয়ারের সুফল: রেকর্ড ১৯৯ কোটি টাকা ওভার ফ্লাইং চার্জ আদায় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী: রাজধানীতে বিএনপির খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ শুরু ৪১৯ যাত্রী নিয়ে দেশে ফিরল হজের প্রথম ফ্লাইট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ পাহাড়ে ও সমতলে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে: পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী

স্বাধীনভাবে নেতাকে স্মরণ করার সুযোগ হয়েছে ১৭ বছর পর : মির্জা ফখরুল

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬
  • ২০ বার দেখা হয়েছে
জাতীয় ডেস্ক

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। শনিবার (৩০ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে প্রয়াত রাষ্ট্রপতির সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তিনি জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর পর এবার দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবেশ অনুকূলে থাকায় অত্যন্ত স্বচ্ছন্দ ও স্বাধীন পরিবেশে দলের পক্ষ থেকে এই দিবসটি পালন করা সম্ভব হচ্ছে।

জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সিনিয়র নেতৃবৃন্দসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সকাল থেকেই নেতাকর্মীরা ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে সমাধি প্রাঙ্গণে জড়ো হন। নেতৃবৃন্দ পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মরহুমের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে দেশে নানামুখী রাজনৈতিক প্রতিবন্ধকতা, বিধিনিষেধ এবং প্রতিকূল পরিবেশ বিরাজমান ছিল। যার কারণে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীর মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও দলীয় কর্মসূচি স্বাভাবিক বা স্বাধীনভাবে পালন করা সম্ভব হয়নি। প্রশাসনের নানা কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক দমনপীড়নের কারণে বিগত বছরগুলোতে এই দিনটিতে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি এবং কর্মসূচি পালনের পরিধি সীমিত রাখতে হয়েছিল। তবে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বর্তমান প্রেক্ষাপটে এবার অনেক বেশি উন্মুক্ত ও স্বাধীনভাবে দলের প্রতিষ্ঠাতা নেতাকে স্মরণ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশের ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

দেশের রাষ্ট্র পরিচালনায় সাবেক রাষ্ট্রপতির অবদানের কথা স্মরণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের অর্থনীতি, সমাজনীতি এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় আধুনিকতা ও সুশাসনের মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন এবং দেশীয় উৎপাদনের ওপর ভিত্তি করে স্বনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তার অবদান অনস্বীকার্য। দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য তিনি যে দূরদর্শী দর্শন ও ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন, তা বর্তমান সময়েও সমসাময়িক সংকট উত্তরণে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক এবং রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য অনুসরণযোগ্য।

বিএনপির বর্তমান নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে মহাসচিব উল্লেখ করেন, জিয়াউর রহমানের সেই আদর্শ, রাজনৈতিক দর্শন ও উন্নয়ন ভাবনার পথনির্দেশনা অনুসরণ করেই বর্তমানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও দল ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে আধুনিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন জিয়াউর রহমান দেখেছিলেন, তা বাস্তবায়নে বিএনপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দল হিসেবে বিএনপি বারবার এই মহান নেতার অবদানকে স্মরণ করতে চায় এবং তার প্রদর্শিত পথেই রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মসূচি গতিশীল রাখতে বদ্ধপরিকর।

দেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন বা সংস্কারমুখী শাসনব্যবস্থা প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে দেশে যে প্রাতিষ্ঠানিক ও রাষ্ট্রীয় সংস্কার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, তার মূল নির্যাস ও রূপরেখা বহু বছর আগেই জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রচিন্তা এবং উন্নয়ন ভাবনার মধ্যে নিহিত ছিল। দেশের শাসনতান্ত্রিক কাঠামো শক্তিশালী করা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং জনমুখী প্রশাসন গড়ে তোলার যে দর্শন জিয়াউর রহমান প্রবর্তন করেছিলেন, চলমান সংস্কার প্রক্রিয়া মূলত তারই প্রতিফলন। ভবিষ্যতেও দেশের যেকোনো সংকট উত্তরণে এবং জাতীয় অগ্রগতি নিশ্চিত করতে তার দেখানো পথ এবং রাজনৈতিক দর্শনকে অনুসরণ করেই বিএনপি সামনের দিকে এগিয়ে যাবে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026