1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উল আজহার নামাজ আদায় মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ইরানের পাশে থাকার অঙ্গীকার পাকিস্তানের ঈদুল আজহায় দেশবাসীকে বিএনপি মহাসচিবের শুভেচ্ছা ও ত্যাগের মহিমায় উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগ ও আনন্দের বার্তা নিয়ে সারা দেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা এভারেস্ট জয় করলেন বাংলাদেশের নুরুন্নাহার নিম্নি যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে মধ্যপ্রাচ্যে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ফরিদপুরের ১০ গ্রামে বুধবার ঈদুল আজহা উদযাপিত ফ্রান্সে কঠোর প্রশাসনিক নিয়ম ও নজরদারির মধ্যে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা

যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগ ও আনন্দের বার্তা নিয়ে সারা দেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬
  • ১৩ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আত্মত্যাগের শিক্ষা এবং আনন্দের বার্তা নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সারা দেশে উদযাপিত হচ্ছে মুসলিম উম্মাহর অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে নামাজ আদায় ও পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে দেশের মুসলিম সম্প্রদায় এই উৎসব উদযাপন করছেন। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে জেলা, উপজেলা ও প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও ঈদকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

ঈদের দিন সকালে দেশের সর্বস্তরের মুসল্লিরা নিকটস্থ ঈদগাহ ও মসজিদে সমবেত হয়ে ঈদুল আজহার দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায় করেছেন। নামাজের পর খতিবরা খুতবায় কোরবানির ঐতিহাসিক তাৎপর্য, ইসলামের ত্যাগের আদর্শ এবং মানবকল্যাণে এর ভূমিকা তুলে ধরে বিশেষ বয়ান করেন। খুতবা শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। নামাজ শেষে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ চিরাচরিত নিয়মে কোরবানি ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। বাণীতে তাঁরা ঈদুল আজহার ত্যাগের মহিমায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারাও এই উৎসব উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন।

রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। এই প্রধান জামাতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ অংশ নেন। জাতীয় ঈদগাহে মুসল্লিদের সুশৃঙ্খল অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ কঠোর ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে প্যান্ডেল নির্মাণ ও বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের বিশেষ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছিল।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশের বিভাগীয় ও জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ভবনগুলোতে দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জা করা হয়েছে। উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করছে। এ ছাড়া মানবিক বিবেচনায় দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল, কেন্দ্রীয় কারাগার, সরকারি এতিমখানা ও শিশু সদনগুলোতে ঈদ উপলক্ষে উন্নত ও বিশেষ খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ঈদের প্রধান জামাত ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে সামর্থ্যবান মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিজ নিজ এলাকায় পশু কোরবানি করছেন। ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, মহান আল্লাহর নির্দেশে হজরত ইব্রাহিম (আ.) তাঁর প্রিয় পুত্র হজরত ইসমাঈলকে (আ.) কোরবানি করার চরম ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত হয়েছিলেন। মহান আল্লাহ তাঁর এই অনন্য আনুগত্য ও ত্যাগের পরীক্ষায় সন্তুষ্ট হয়ে ইসমাঈল (আ.)-এর পরিবর্তে একটি দুম্বা বা পশু কোরবানির অলৌকিক ব্যবস্থা করেন। এই ঐতিহাসিক ও ত্যাগের ঘটনাকে স্মরণ করেই প্রতিবছর জিলহজ মাসের ১০ তারিখে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ কোরবানির বিধান পালন করে আসছে।

এদিকে, এবারের ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের চাকুরিজীবী ও সাধারণ মানুষ দীর্ঘ ছুটির আমেজে মেতে উঠেছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পূর্বনির্ধারিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, গত ২৫ মে থেকেই এই ঈদের ছুটির সূচনা হয়েছে, যা আগামী ৩১ মে পর্যন্ত বহাল থাকবে। ঈদের মূল ছুটির সঙ্গে সরকারের বিশেষ নির্বাহী আদেশে অতিরিক্ত ছুটি যুক্ত হওয়ার কারণেই এবার দেশের সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একটানা দীর্ঘ ছুটির সুযোগ পাচ্ছেন। এই দীর্ঘ ছুটির কারণে রাজধানী ঢাকার একটি বড় অংশ ফাঁকা হয়ে গেছে এবং সাধারণ মানুষ গ্রামীণ জনপদে স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করছেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026