1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ০২:২০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ছয় জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪, বহু আহত ছয় জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪, বহু আহত দীর্ঘ ৪৭ বছর পর ময়মনসিংহের ত্রিশালে ঐতিহাসিক দরিরামপুর ধরার খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন ১ কোটি ৮৪ লাখ শিশুকে হামের টিকা প্রদান, পোর্টারদের বেতন বাবদ ২৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাজউক কর্মকর্তাদের দলগতভাবে কাজ করার আহ্বান গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রীর ঈদুল আযহায় নির্বিঘ্ন যাতায়াতে বিআইডব্লিউটিএর বিশেষ লঞ্চ সার্ভিস ঘোষণা পল্লবীর রামিসা হত্যা: ডিএনএ রিপোর্ট পেলে ঈদের আগেই চার্জশিটের : আইনমন্ত্রীর হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ২ সহস্রাধিক চট্টগ্রামে তিন শিশুকে ধর্ষণ ও নির্যাতন: ক্ষোভ প্রকাশ মেয়রের, ডে-কেয়ার সেন্টার বাধ্যতামূলক করার আহ্বান ঈদুল আজহার ছুটির আগে বিশেষ কার্যদিবসের লেনদেনে চাঙ্গা দেশের শেয়ারবাজার

১ কোটি ৮৪ লাখ শিশুকে হামের টিকা প্রদান, পোর্টারদের বেতন বাবদ ২৬ কোটি টাকা বরাদ্দ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

সারা দেশে ১ কোটি ৮৪ লাখ শিশুকে হামের টিকা প্রদান করা হয়েছে এবং কোনো শিশু যেন এই টিকাদান কর্মসূচি থেকে বাদ না পড়ে, সে লক্ষ্যে মাইকিং করে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে টিকা দেওয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

শনিবার (২৩ মে) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের স্বাস্থ্য খাতের চলমান টিকাদান কর্মসূচি ও পোর্টারদের বকেয়া বেতন পরিশোধসহ সার্বিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরে এ তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করতে মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। জনসচেতনতা তৈরিতে এলাকাভিত্তিক মাইকিংয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এ পর্যন্ত প্রায় পৌনে দুই কোটিরও বেশি শিশুকে সফলভাবে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। দেশের শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ও মহামারি প্রতিরোধে এই টিকাদান কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য খাতের পোর্টারদের (বহনকারী বা চতুর্থ শ্রেণীর অস্থায়ী কর্মী) বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের বিষয়ে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা বিস্তারিত উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে পোর্টাররা দীর্ঘ সময় ধরে তাদের ন্যায্য পারিশ্রমিক ও বেতন থেকে বঞ্চিত ছিলেন, যার ফলে তাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছিল। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তাদের এই মানবিক ও অর্থনৈতিক সংকটের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেছে।

মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ব্যবস্থাপনা, সার্বিক দিকনির্দেশনা ও চূড়ান্ত অনুমোদনক্রমে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পোর্টারদের বকেয়া বেতন পরিশোধের জন্য ২৬ কোটি টাকারও বেশি বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই বরাদ্দের মধ্য থেকে আজ প্রথম দফায় ৬ মাসের বকেয়া বেতন হিসেবে দেশের ১ হাজার ৩২৬ জন পোর্টারের জন্য মোট ১২ কোটি টাকারও বেশি অর্থ সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হয়েছে। এর ফলে মাঠ পর্যায়ে কর্মরত প্রতিটি পোর্টার গড়ে প্রায় ৯০ হাজার টাকা করে বকেয়া বেতন পাবেন।

বকেয়া বেতনের এই অর্থ ইতিমধ্যে উপজেলা পর্যায়েও পৌঁছে গেছে এবং আগামীকাল রবিবার থেকেই পোর্টাররা তাদের নিজ নিজ বকেয়া পাওনা ও পেমেন্ট পেতে শুরু করবেন বলে সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করা হয়। এই অর্থ ছাড়ের ফলে দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য ও অর্থনৈতিক সংকটের অবসান ঘটতে যাচ্ছে, যা সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের পরিবারে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে।

বাকি বকেয়া অর্থ পরিশোধের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অবশিষ্ট বরাদ্দের টাকা বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের তহবিলে সংরক্ষিত রয়েছে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির পরপরই পোর্টারদের অবশিষ্ট বকেয়া পাওনা সম্পূর্ণরূপে পরিশোধ করা হবে। একই সাথে, আগামী ২০২৬ সাল থেকে স্বাস্থ্য খাতের এই কর্মচারীদের মাসিক বেতন-ভাতা নিয়মিতকরণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে, যেন ভবিষ্যতে তাদের পুনরায় এমন বকেয়া বা অর্থনৈতিক জটিলতার সম্মুখীন হতে না হয়।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া পাওনা পরিশোধের এই সিদ্ধান্ত দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করবে এবং টিকাদানসহ সরকারের অন্যান্য জাতীয় স্বাস্থ্য কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা আরও উৎসাহিত হবেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026