1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ঐতিহ্যবাহী ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ৯০ বছর পূর্তি উদযাপনের সিদ্ধান্ত এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা ঘোষণা সাদিয়া ইসলাম মৌ অভিনীত ‘সারার সংসার’ ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাচ্ছে চলতি বছরে বাংলাদেশ থেকে ৬ হাজার দক্ষ চালক নেবে দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানি আসন্ন ঈদুল আজহায় সড়ক পথে নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সংখ্যা বৃদ্ধি সিলেট টেস্টে চালকের আসনে বাংলাদেশ, পাকিস্তান অলআউট ২৩২ রানে ২০২৬ বিশ্বকাপে ফুটবলারদের কৌশল বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলে নদীভাঙন রোধে আগামী অর্থবছরে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর নীলফামারী-সৈয়দপুর রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ: ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের যুক্তিতর্ক শুনানি ১৪ জুন গণমাধ্যম সংস্কারে স্বাধীন ও গ্রহণযোগ্য কমিশন গঠনের ওপর তথ্যমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

সামাজিক ন্যায়বিচার ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়ম বরদাশত করা হবে না: ডেপুটি স্পিকার

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

সামাজিক ন্যায়বিচার ভিত্তিক মানবিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ এবং ‘এক আইডি এক পরিবার’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নেত্রকোণার কলমাকান্দায় উপকারভোগীদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কলমাকান্দা জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হল রুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কার্ড বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোণা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ফ্যামিলি কার্ড মূলত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দূরদর্শী পরিকল্পনা বা ‘ড্রিম প্রজেক্ট’। সামাজিক সমতা ও প্রান্তিক মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে একযোগে এই পাইলটিং কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে ডেপুটি স্পিকার মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বা সরকারের যেকোনো উন্নয়নমূলক প্রকল্প নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বা আর্থিক দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, শুধুমাত্র আর্থিক লেনদেনই দুর্নীতি নয়, দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রকৃত অভাবীদের সঠিক তথ্য সংগ্রহ না করে কর্মে অবহেলা করাও এক ধরণের বড় অপরাধ।

তথ্য সংগ্রহকারীদের মাঠ পর্যায়ের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, অনেক সময় দেখা যায় তথ্য সংগ্রহকারীরা প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিতদের ঘরে না গিয়ে অপেক্ষাকৃত সুবিধাজনক স্থানে যাতায়াত করেন। তিনি নির্দেশ দেন যে, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ধর্ম, জাতি বা সম্প্রদায়গত কোনো ধরনের ভেদাভেদ করা যাবে না। মানুষ হিসেবে সবার মূল্যায়ন করতে হবে এবং পরবর্তী কার্যক্রমে যেন সবার আগে সমাজের সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র পরিবারগুলোকে এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। একই সাথে তিনি সমাজের সচ্ছল ব্যক্তিদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যদি ভুলবশত কোনো সচ্ছল ব্যক্তি এই কার্ড পেয়ে থাকেন, তবে তা যেন পাশের বাড়ির প্রকৃত দরিদ্র ও অভাবী মানুষটির কল্যাণে ছেড়ে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুরা ইউনিয়নের ৭৯৪ জন উপকারভোগীর মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করা হয়। কার্ড পেয়ে লেংগুরা ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রামের একজন উপকারভোগী লাভলী রংদী তাঁর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে জানান, ইতিপূর্বে কোনোদিন সরকারি অনুদান না পাওয়ায় এই কার্ড পেয়ে তাঁর পরিবার অত্যন্ত উপকৃত হবে। কাঠ কেটে জীবিকা নির্বাহ করা অত্যন্ত দরিদ্র এই পরিবারের খাদ্য ও সন্তানের শিক্ষা সহায়তায় এই কার্ডের আর্থিক অনুদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

নেত্রকোণার জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোণা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপি সভাপতি অধ্যাপক ডা. আনোয়ারুল হক, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান নূরু এবং পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য ও অন্যান্য কারিগরি দিক উপস্থাপন করেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক শাহ আলম এবং কলমাকান্দার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম। এছাড়া অনুষ্ঠানে লেংগুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান ভুঁইয়াসহ স্থানীয় প্রশাসন, বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই কর্মসূচির সুষ্ঠু বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের গ্রামীণ অর্থনীতির দৃশ্যপট আমূল পরিবর্তিত হবে এবং দারিদ্র্য বিমোচন ত্বরান্বিত হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026