1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা সরকারের বৃষ্টির দাপটে মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলা স্থগিত বাংলাদেশ ও কোরিয়ার টেকসই গ্রামীণ উন্নয়নে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে থালাপতি বিজয়ের প্রথম দিন : ২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও নারী নিরাপত্তার ঘোষণা মানবাধিকার রক্ষা করে পুলিশকে জনবান্ধব হওয়ার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম নবান্ন সফর: নতুন সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু নারী ফুটবলের উন্নয়নে বাফুফের নতুন সঙ্গী গ্লো অ্যান্ড লাভলী বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বারোপ শিক্ষামন্ত্রীর মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে পুলিশকে জনবান্ধব হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিনের পদত্যাগ

থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার কারামুক্তি

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

থাইল্যান্ডের প্রভাবশালী রাজনীতিবীদ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা সোমবার সকালে ব্যাংককের ক্লং প্রেম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন। বিতর্কিত এক আদালতের রায়ে প্রায় আট মাস কারাভোগের পর স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে তিনি কারাগার থেকে বের হয়ে আসেন। কারাদণ্ড এড়ানোর উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে হাসপাতালে অবস্থান করার অভিযোগে তাকে এই সাজা প্রদান করা হয়েছিল।

৭৬ বছর বয়সী এই বিলিয়নেয়ার নেতার মুক্তি উপলক্ষে সোমবার ভোর থেকেই কারাগারের বাইরে শত শত সমর্থক ভিড় জমান। কারাগার থেকে বের হওয়ার সময় তিনি সাদা রঙের সাধারণ শার্ট পরিহিত ছিলেন। এ সময় তাঁর রাজনৈতিক উত্তরসূরি ও কন্যা পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাসহ পরিবারের সদস্যরা তাঁকে স্বাগত জানান। উল্লেখ্য, গত আগস্টে আদালতের এক আদেশে পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ করার ঠিক এক সপ্তাহ পরেই থাকসিনকে কারাবন্দি করা হয়েছিল।

থাকসিন সিনাওয়াত্রা প্রায় দুই দশক ধরে থাইল্যান্ডের রাজনীতিতে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন। ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। তবে রাজতন্ত্র ও সামরিক বাহিনীর সাথে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বে ২০০৬ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন। এরপর দীর্ঘ ১৫ বছর নির্বাসনে থাকার পর গত বছর তিনি দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফেরার পরপরই তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির পুরনো মামলাগুলো পুনরায় কার্যকর করা হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, থাকসিনের এই কারামুক্তি থাইল্যান্ডের বর্তমান অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। তবে তাঁর রাজনৈতিক দল ‘ফেউ থাই পার্টি’ সাম্প্রতিক নির্বাচনে ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ ফলাফল করায় তাঁর পূর্বের সেই একক প্রভাব এখন অনেকটাই ম্লান। তা সত্ত্বেও, থাই রাজনীতিতে পর্দার আড়াল থেকে কলকাঠি নাড়ার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা এখনো গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

কারাগার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, থাকসিন তাঁর সাজার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সময় পার করার পর এবং শারীরিক অসুস্থতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন। তবে মুক্তির পর তাঁকে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে চলতে হবে এবং আইনগত পর্যবেক্ষণে থাকতে হবে।

থাকসিন সিনাওয়াত্রার কারামুক্তিকে ঘিরে থাইল্যান্ডের রাজনৈতিক অঙ্গনে যেমন স্বস্তি দেখা দিয়েছে, তেমনি তাঁর সমালোচকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে হাসপাতালে তাঁর অবস্থানের বৈধতা নিয়ে যে বিতর্ক ছিল, তা তাঁর মুক্তির মাধ্যমে আরও ঘনীভূত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটির রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এখন থাকসিনের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং তাঁর দলের পুনর্গঠনের ওপর অনেকাংশেই নির্ভর করছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026