1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা সরকারের বৃষ্টির দাপটে মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলা স্থগিত বাংলাদেশ ও কোরিয়ার টেকসই গ্রামীণ উন্নয়নে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে থালাপতি বিজয়ের প্রথম দিন : ২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও নারী নিরাপত্তার ঘোষণা মানবাধিকার রক্ষা করে পুলিশকে জনবান্ধব হওয়ার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম নবান্ন সফর: নতুন সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু নারী ফুটবলের উন্নয়নে বাফুফের নতুন সঙ্গী গ্লো অ্যান্ড লাভলী বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বারোপ শিক্ষামন্ত্রীর মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে পুলিশকে জনবান্ধব হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিনের পদত্যাগ

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বারোপ শিক্ষামন্ত্রীর

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ ও সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি উল্লেখ করেছেন, দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি, যৌথ গবেষণা প্রকল্প এবং মেধাভিত্তিক বৃত্তি কার্যক্রম চালুর মাধ্যমে এই সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব। সোমবার রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে আয়োজিত ‘পাকিস্তান এডুকেশন এক্সপো-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করা জরুরি। বিশেষ করে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একাডেমিক লিংকেজ বা প্রাতিষ্ঠানিক সংযোগ স্থাপন করা গেলে উভয় দেশের শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবেন। বর্তমানে বাংলাদেশে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১১৬টির মতো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দেশের এই বিশাল উচ্চশিক্ষা কাঠামোর গুণগত মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শিক্ষামন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, ভবিষ্যতে দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যৌথ গবেষণা এবং বিশেষ এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম চালু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা যেতে পারে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার নিয়মিতভাবে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বৃত্তি প্রদান করে আসছে। তবে পাকিস্তানের বর্তমান বৃত্তি কার্যক্রমের প্রক্রিয়াটি কিছুটা স্বতন্ত্র, কারণ এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য ও প্রকৃত মেধাবীদের নির্বাচন করা হচ্ছে। এই স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার প্রশংসা করে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এর মাধ্যমে বাংলাদেশের আরও অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থী পাকিস্তানে উচ্চশিক্ষার জন্য যাওয়ার সুযোগ পাবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানে সম্পূর্ণ বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ পাওয়া বাংলাদেশি তরুণদের জন্য একটি অত্যন্ত বড় এবং ইতিবাচক সম্ভাবনা। এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে শিক্ষার্থীরা কেবল উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনই করবে না, বরং তারা ভিন্ন একটি সাংস্কৃতিক পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এবং নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজেদের দক্ষতাকে শাণিত করতে এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই ধরনের আন্তর্জাতিক শিক্ষা বিনিময় কর্মসূচি অত্যন্ত কার্যকর।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা জানান, এই শিক্ষা প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পাকিস্তানের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রক্রিয়া, বৃত্তির সুযোগ এবং জীবনযাত্রার ব্যয় সম্পর্কে সম্যক ধারণা প্রদান করা। বিশেষ করে চিকিৎসা, প্রকৌশল এবং কৃষি বিজ্ঞানের মতো বিষয়গুলোতে পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সুনাম রয়েছে, যা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে এই ধরনের শিক্ষা সহযোগিতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে সহায়ক হবে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের যে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় চালু রয়েছে, এই ধরনের মেলার মাধ্যমে তা আরও বেগবান হবে। বিশেষ করে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষার ক্ষেত্রে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় উভয় দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী পাকিস্তানি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্টলগুলোতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে, যা দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা বিনিময়ের ক্রমবর্ধমান আগ্রহের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026