1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে বছরব্যাপী নানা আয়োজন সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন খসড়া পর্যালোচনায় ৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন সবাই মিলেমিশে থাকাই বাংলাদেশের আবহমান কালের মূল মূল্যবোধ: প্রধানমন্ত্রী দেশে জুন মাসে ৩৩৩ নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার নড়াইলে চোর সন্দেহে নির্যাতনের শিকার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু, আসামি ৫ চট্টগ্রামে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গু সংক্রমণ, এক মাসেই আক্রান্ত চারগুণ ইউরোপের ৬ দেশে রেনাটার থাইরয়েড ওষুধ রপ্তানির অনুমোদন তিস্তা প্রকল্পে চীনের অবস্থান অপরিবর্তিত, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: ইয়াও ওয়েন

নারী ফুটবলের উন্নয়নে বাফুফের নতুন সঙ্গী গ্লো অ্যান্ড লাভলী

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
  • ২৯ বার দেখা হয়েছে

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বাংলাদেশের নারী ফুটবলের অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করতে এবং খেলোয়াড়দের পেশাদার দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের অফিশিয়াল ‘ট্রেনিং অ্যান্ড গ্রোথ পার্টনার’ হিসেবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে প্রসাধনী ব্র্যান্ড গ্লো অ্যান্ড লাভলী। আগামী দুই বছরের জন্য এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে নারী ফুটবলারদের মাঠের নৈপুণ্য ও ব্যক্তিগত উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি।

সোমবার (১১ মে) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তির ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বাফুফের নবনির্বাচিত সভাপতি তাবিথ আউয়াল, সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম, ইউনিলিভার বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার প্রান্তি, গোলরক্ষক ইয়ারজান বেগম ও মিডফিল্ডার উমেলা মারমাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তির শর্তানুযায়ী, আগামী দুই বছর জাতীয় নারী ফুটবল দলের প্রশিক্ষণ ও খেলোয়াড়দের সার্বিক উন্নয়নের সহায়ক হিসেবে কাজ করবে গ্লো অ্যান্ড লাভলী। বিশেষ করে ফুটবলারদের ব্যক্তিগত উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে। এই পার্টনারশিপের অংশ হিসেবে নারী দলের অফিশিয়াল প্র্যাকটিস ও ট্রেনিং কিটসহ বাফুফে নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির লোগো প্রদর্শিত হবে। মূলত মাঠের বাইরে খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং পেশাদারিত্ব তৈরিতে এই উদ্যোগ বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের নারীদের জয়জয়কার বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে। ২০২২ ও ২০২৪ সালে টানা দুইবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জয় এবং এএফসি উইমেন্স এশিয়ান কাপ ২০২৬-এর বাছাইপর্বে শক্তিশালী অবস্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশের নারী ফুটবলাররা তাদের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। এই ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রাখতে দীর্ঘমেয়াদী এবং টেকসই সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। বাফুফের সঙ্গে এই নতুন চুক্তি খেলোয়াড়দের জন্য একটি বাড়তি অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের বিউটি অ্যান্ড ওয়েলবিং হেড জাহিন ইসলাম এই সহযোগিতা প্রসঙ্গে জানান, নারীর মেধাবিকাশ ও ক্ষমতায়নে তাদের দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারের অংশ হিসেবেই তারা জাতীয় দলের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই ফুটবলারদের সাফল্য নতুন প্রজন্মের অসংখ্য তরুণীকে খেলাধুলায় আগ্রহী করে তুলবে এবং তাদের হাত ধরেই ভবিষ্যতে দেশের নারী ফুটবলের বৈশ্বিক অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল এই অংশীদারিত্বকে দেশের নারী ফুটবলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ডের সম্পৃক্ততা খেলোয়াড়দের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নারী ফুটবলারদের অবস্থান আরও উজ্জ্বল করবে। বাফুফের সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম যোগ করেন, প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন ও ব্র্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে এমন বড় প্রতিষ্ঠানের সহায়তা খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করতে সহায়ক হবে।

জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার প্রান্তি এই চুক্তিকে দলের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তিনি জানান, আসন্ন টুর্নামেন্টগুলোতে সাফল্যের ধারা বজায় রাখতে এবং হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে এই ধরণের সহযোগিতা দলকে মানসিকভাবে আরও শক্তিশালী করবে। অনূর্ধ্ব-১৬ পর্যায়ে সাফজয়ী গোলরক্ষক ইয়ারজান বেগম এবং মিডফিল্ডার উমেলা মারমাও এই নতুন যাত্রায় তাদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।

ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে নারী ফুটবলের যে জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তাতে বেসরকারি খাতের এমন বিনিয়োগ অত্যন্ত জরুরি ছিল। এটি শুধু বর্তমান খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ সুবিধাই বাড়াবে না, বরং তৃণমূল পর্যায় থেকে নারী ফুটবলার তুলে আনার ক্ষেত্রেও এক ধরণের সামাজিক অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। প্রশিক্ষণের পাশাপাশি খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস নির্মাণে গ্লো অ্যান্ড লাভলীর এই অংশগ্রহণ দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026