1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি হলেও জনপ্রত্যাশা পূরণে আরও সময় লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিমানবন্দরে কার্গো পণ্য দ্রুত খালাসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের উদ্যোগ, তৈরি হচ্ছে নতুন ওয়্যারহাউস তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ পানিসম্পদমন্ত্রীর ট্রেড লাইসেন্সে অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা ডিএসসিসির: কর্মকর্তা বরখাস্ত, কারণ দর্শানোর নোটিশ বাংলাদেশ-কানাডা প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে উপদেষ্টার সঙ্গে কানাডীয় হাইকমিশনারের বৈঠক সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে স্কেল চূড়ান্তের পথে: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশ পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: রুহুল কবির রিজভী রাজধানীর বসুন্ধরায় মডেল রিধিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় প্রেমিক গ্রেপ্তার ব্যক্তি-বন্দনার সংস্কৃতি পরিহার করে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নতুন পরিচয়ে ‘সার্কেল’ নামে যাত্রা শুরু করল এয়ারটেল

কূটনীতিকদের সঙ্গে বিএনপি নেতার নৈশভোজে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ইস্যুতে আলোচনা

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬৫ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সম্মানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান এক নৈশভোজের আয়োজন করেছেন। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর গুলশানে তার বাসভবনে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক এবং দেশের শীর্ষ শিল্পপতিরা অংশ নেন।

আয়োজনে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ও তার সহধর্মিণী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পলিটিক্যাল কাউন্সেলরও এতে অংশ নেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

নৈশভোজে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও ভারত, জাপান, নেপাল, ইতালি ও নরওয়ের রাষ্ট্রদূত এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনারসহ আরও কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। কূটনৈতিক মহলের এ ধরনের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকগুলো সাধারণত পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার, মতবিনিময় এবং সমসাময়িক ইস্যুতে অবস্থান বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়।

এছাড়া অনুষ্ঠানে দেশের বেসরকারি খাতের তিনজন শীর্ষ শিল্পপতিও অংশ নেন। তারা হলেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী, হামিম গ্রুপের চেয়ারম্যান এমডি আবুল কালাম আজাদ এবং এলিট পেইন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান রাজউক সিরাজ। তাদের উপস্থিতি অর্থনৈতিক ও বিনিয়োগ-সংক্রান্ত আলোচনাকে আরও প্রাসঙ্গিক করে তোলে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

আয়োজক ড. আবদুল মঈন খান জানিয়েছেন, নৈশভোজ শেষে অংশগ্রহণকারী কূটনীতিকদের সঙ্গে বাংলাদেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। এতে দেশের অর্থনীতি, বৈদেশিক কূটনীতি, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

আলোচনায় বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ বিশেষ গুরুত্ব পায়। সাম্প্রতিক সময়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, আমদানি ব্যয়, জ্বালানি মূল্য এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। এসব বিষয় বিনিয়োগ পরিবেশের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলছে, তা নিয়েও কূটনীতিক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

গণতন্ত্র, সুশাসন এবং উন্নয়ন প্রসঙ্গও আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, নির্বাচন ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিদেশি বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে বিভিন্ন পক্ষ মতামত ব্যক্ত করেন।

এছাড়া আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়েও খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক পরিবেশ, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রত্যাশা নিয়ে মতবিনিময় হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের কূটনৈতিক আয়োজনের মাধ্যমে রাজনৈতিক দল, কূটনীতিক এবং ব্যবসায়িক মহলের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ে এবং গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে অবস্থান পরিষ্কার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে নির্বাচনপূর্ব সময়ের প্রেক্ষাপটে এমন বৈঠকগুলো দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ধারণা গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে।

সামগ্রিকভাবে, গুলশানের এ নৈশভোজ কেবল সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, বরং দেশের গুরুত্বপূর্ণ সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে কূটনৈতিক ও নীতিগত আলোচনা বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026