1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিটি করপোরেশন বহির্ভূত বিরোধী দলীয় আসনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে রাউন্ড অব ৩২ জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর রেললাইনের ওপর থেকে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক সরানোর পর রাজবাড়ী-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: তিন ধাপে দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের রূপরেখা ঘোষণা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি অসুস্থ হয়ে ঢামেক হাসপাতালে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পুনরায় কারাগারে একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা আগামীকাল যাত্রাবাড়ীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৩ জন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভিওন চেয়ারম্যান অগি ফাবেলার সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকা সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে জাপানি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্বে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ: উন্নয়ন পরিকল্পনা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের ঘোষণা

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪১ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণের পর উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আনা, জনসেবা সম্প্রসারণ এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি জেলা পরিষদের চলমান প্রকল্পসমূহ পর্যালোচনা এবং জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে নতুন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে মনোযোগ দিয়েছেন তিনি। তিনি জানান, জেলা পরিষদের মূল কার্যপরিধি হলো অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক সেবা নিশ্চিত করা। এ প্রেক্ষাপটে পূর্বে প্রণীত বাজেট ও চলমান প্রকল্পসমূহ পর্যালোচনা করে নতুন অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হচ্ছে, যাতে জনগণের প্রত্যাশা ও স্থানীয় চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকে।

তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান, মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসা ও অন্যান্য ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চলমান প্রকল্পসমূহ পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, বর্তমানে চলমান একাধিক প্রকল্পের গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা এবং গুণগত মান যাচাই করা হচ্ছে। জনস্বার্থ বিবেচনায় যেসব প্রকল্প অপ্রয়োজনীয় বা কম গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হবে, সেগুলো পুনর্বিবেচনা বা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

তিনি আরও জানান, জেলা পরিষদের মাধ্যমে ইতোমধ্যে বেশ কিছু সামাজিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের সহায়তা, বসতঘর সংস্কার এবং চিকিৎসা সহায়তা কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রশাসনিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে এসব কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

জেলা পরিষদের চলমান উন্নয়ন প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানান, বর্তমানে প্রায় দুই শতাধিক ছোট-বড় প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক সংস্কার, সামাজিক প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন এবং জনসেবামূলক অবকাঠামো নির্মাণ।

উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে ফতুল্লা এলাকায় প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক বিনোদন কেন্দ্র বা পার্ক নির্মাণ প্রকল্প রয়েছে, যা স্থানীয় জনগণের জন্য বিনোদনের সুযোগ তৈরি করবে। এছাড়া সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন ভবঘুরে ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কেন্দ্রের অবকাঠামো সংস্কারের জন্য প্রায় ২৫ লাখ টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে সরকারি আশ্রয় কেন্দ্র উন্নয়ন প্রকল্প এবং বিভিন্ন গ্রামীণ সড়কে আরসিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

অধ্যাপক মামুন মাহমুদ তার দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে শিক্ষা খাতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে শিক্ষা উপকরণ ও আর্থিক সহায়তা বাড়ানো প্রয়োজন। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে পরোক্ষ উন্নয়ন মডেল অনুসরণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তার মতে, অবকাঠামো উন্নয়ন ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলে শিল্প ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে সম্প্রসারিত হয়, যা স্থানীয় কর্মসংস্থানে ভূমিকা রাখে।

আগামী এক বছরে জেলা পরিষদকে একটি জনমুখী ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, জেলা পরিষদের কার্যক্রম সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণা এখনও সীমিত। তাই প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আরও দৃশ্যমান করা এবং সেবা সহজলভ্য করাই প্রধান লক্ষ্য।

তিনি আরও জানান, জেলা পরিষদের সক্ষমতা অনুযায়ী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং খাল খননের মতো পরিবেশ ও অবকাঠামো উন্নয়নমূলক কার্যক্রম গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব উদ্যোগ স্থানীয় পরিবেশ উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা নিরসনে সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সবশেষে তিনি জেলা পরিষদকে জনগণের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সেবা গ্রহণে সাধারণ মানুষকে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026