1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ২৪টি বিল পাস, চলতি অধিবেশনে মোট ৯১টি বিল অনুমোদন পর্দার আড়াল থেকে ফের আলোচনায় অভিনেত্রী পরীমনি, সুইমিংপুল ভিডিও ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া কৃষক কার্ড বিতরণে প্রি-পাইলট কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণে প্রি-পাইলট কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাবের মধ্যে কৃষি খাতে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখার আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রযুক্তি-নির্ভর পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির আহ্বান বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে উপদেষ্টারা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে খাল পুনঃখনন ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন: বাণিজ্য মন্ত্রী নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্বে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ: উন্নয়ন পরিকল্পনা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের ঘোষণা বাংলাদেশ–নিউজিল্যান্ড সীমিত ওভারের সিরিজে ওয়ানডে স্কোয়াড ঘোষণা, আগের দলেই আস্থা বিসিবির

মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি ড্রোন হামলায় প্রাণহানি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে ভিন্নমত

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৭ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুয়েতে মার্কিন সেনা ঘাঁটিতে ইরানি ড্রোন হামলায় ছয়জন সেনা সদস্য নিহত এবং ২০ জনেরও বেশি আহত হওয়ার ঘটনার পর মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের দেওয়া আনুষ্ঠানিক বিবরণের সঙ্গে প্রত্যক্ষদর্শী সেনা সদস্যদের বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা দিয়েছে। আহত ও বেঁচে যাওয়া সেনারা দাবি করেছেন, হামলার সময় তাদের ইউনিট যথাযথ নিরাপত্তা প্রস্তুতি ও প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থার বাইরে ছিল। তবে প্রতিরক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, ঘাঁটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল।

ঘটনাটি ঘটে গত ১ মার্চ কুয়েতে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে, যেখানে একটি ড্রোন হামলায় বড় ধরনের প্রাণহানি ও আহতের ঘটনা ঘটে। মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক ব্যাখ্যায় বলা হয়, একটি ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে ঘাঁটির ভেতরে থাকা একটি ট্যাকটিক্যাল অপারেশনস সেন্টারে আঘাত হানে। তবে একই সঙ্গে ঘাঁটিটি সুরক্ষিত অবস্থায় ছিল বলেও দাবি করা হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সেনা সদস্যরা এই বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘাঁটিতে মোতায়েন থাকা লজিস্টিক ইউনিটকে এমন একটি এলাকায় স্থানান্তর করা হয়েছিল, যা ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সম্ভাব্য আওতার মধ্যে ছিল। তাঁদের দাবি, এটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থান ছিল এবং পর্যাপ্ত প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতি ছাড়া সেখানে অবস্থান করানো হয়।

একজন আহত সেনা সদস্য জানান, হামলার সময় পরিস্থিতি সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাঁর মতে, ঘাঁটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকরভাবে প্রস্তুত ছিল না এবং একটি ড্রোন সহজেই ভেতরে প্রবেশ করে আঘাত হানে—এমন আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা সঠিক নয়। তিনি বলেন, সেনাদের প্রস্তুত অবস্থায় রাখা হয়নি এবং ঘাঁটিটি নিরাপদ অবস্থানে ছিল না।

আরেকজন সেনা সদস্যের বক্তব্য অনুযায়ী, হামলার আগের সময় ঘাঁটিতে “সবকিছু স্বাভাবিক” বলে একটি সংকেত দেওয়া হয়েছিল। এরপর প্রায় ৩০ মিনিটের মধ্যে ড্রোন হামলা সংঘটিত হয়। তিনি জানান, বিস্ফোরণের পর পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে এবং চারদিকে ধুলো ও ধোঁয়ায় অন্ধকার নেমে আসে, যার ফলে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে।

ঘটনার পর উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকজন আহত সেনা সদস্য অভিযোগ করেন, প্রাথমিক পর্যায়ে সংগঠিত উদ্ধার কার্যক্রমে ঘাটতি ছিল। অনেক আহত সেনা সদস্য নিজেরাই প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন এবং পরে বেসামরিক যানবাহনের সহায়তায় হাসপাতালে স্থানান্তরিত হন।

প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, সেনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্ভাব্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। একই সঙ্গে ঘাঁটিতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল কি না, তা নিয়ে পৃথকভাবে পর্যালোচনা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়। হামলার সময় কোনো সতর্ক সংকেত সক্রিয় ছিল কি না, সে বিষয়েও পরিষ্কার তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি ঘিরে এখন সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ঘাঁটি স্থাপনের কৌশল এবং হামলার পূর্ব সতর্কীকরণ ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সামরিক ঘাঁটির নিরাপত্তা পরিকল্পনা ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মোতায়েন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত পুনর্মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে।

এই ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভ্যন্তরীণ তদন্ত ও তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। তদন্তে ঘাঁটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা, হামলার পূর্ব প্রস্তুতি এবং প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026