খেলাধূলা ডেস্ক
২০২৬ সালের আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপের আগে ব্রাজিল তারকা নেইমারের ফিটনেস এবং প্রস্তুতির জন্য তার ক্লাব সান্তোস একটি বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ক্লাবের কোচ কুকা জানান, বিশ্বকাপের আগে নেইমারকে টানা ১৩টি ম্যাচ খেলানো হবে, যাতে তিনি পুরোপুরি ফিটনেসে ফিরে আসতে পারেন।
নেইমার ২০২৬ সালে চোট কাটিয়ে ভালো ছন্দে ফিরেছেন। সান্তোসের হয়ে এখন পর্যন্ত তিনি ছয়টি ম্যাচে ছয়টি গোলে সরাসরি অবদান রেখেছেন। তবে সম্প্রতি হাঁটুর চিকিৎসার কারণে ফ্লামেঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচ মিস করার ঘটনা কিছুটা শঙ্কা তৈরি করেছিল।
ক্লাব কোচ কুকা জানান, নেইমারের হাঁটুকে প্লেটলেট-সমৃদ্ধ প্লাজমা (পিআরপি) চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, যা শরীরের ক্ষত দ্রুত সেরে ওঠার জন্য সহায়ক। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা তাকে শক্তি, গতি ও সহনশীলতায় উন্নত করছি। সামনে টানা ১৩টি ম্যাচ খেলতে হবে, তাই এখনই তাকে প্রস্তুত করা জরুরি।’
যদিও ক্লাব পর্যায়ে নেইমারের পারফরম্যান্স ইতিবাচক, তবুও ব্রাজিল জাতীয় দলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি স্পষ্ট করেছেন, শতভাগ ফিটনেস নিশ্চিত না হলে নেইমারের বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পাওয়া নিশ্চিত নয়।
বর্তমানে ব্রাজিল জাতীয় দলের আক্রমণভাগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া, গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেলি ও এনদ্রিকের মতো ফর্মে থাকা খেলোয়াড়রা আছেন, যা নেইমারের জন্য প্রতিযোগিতা আরও কঠিন করছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে গুরুতর চোটের পর থেকে নেইমার নিয়মিতভাবে ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারেননি। তাই আসন্ন টানা ১৩টি ম্যাচ তার জন্য ফিটনেস অর্জন এবং বিশ্বকাপ দলে জায়গা নিশ্চিত করার বড় সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নেইমারের এই প্রস্তুতি কৌশল এবং ফিটনেস পরীক্ষা ভবিষ্যতের বিশ্বকাপ পারফরম্যান্সে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে, যা তার ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার এবং ব্রাজিল জাতীয় দলের আক্রমণভাগের ভারসাম্য নির্ধারণে সহায়ক হবে।