রাজধানী ডেস্ক
মহানগর এলাকায় রাইড শেয়ার ভিত্তিক মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ ৫ লিটার জ্বালানি তেল (অকটেন/পেট্রোল) গ্রহণের নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি রাইড শেয়ার মোটরসাইকেল ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় নির্দিষ্ট শর্ত মেনে চলবে। তেল গ্রহণকালে চালককে তেলের ধরন, পরিমাণ এবং মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ প্রদান করতে হবে। পাশাপাশি, প্রতিবার তেল গ্রহণের সময় পূর্ববর্তী ক্রয় রশিদ বা বিলের মূল কপি জমা দিতে হবে।
মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং চালকের তথ্য সংশ্লিষ্ট রাইড শেয়ারিং অ্যাপের সঙ্গে যাচাইপূর্বক তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। বিপিসি জানিয়েছে, এই নিয়ম ভঙ্গ করলে তেল সরবরাহ বন্ধ বা অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।
বিপিসি জানায়, দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিদেশ থেকে তেলের আমদানি অব্যাহত রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে তেল দেশে আনা হচ্ছে। একই সঙ্গে সারাদেশে ডিলারদের মাধ্যমে রেল ওয়াগন ও ট্যাংকারের মাধ্যমে তেল বিতরণ করা হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য দেশের জনগণের ভোগান্তি কমানো এবং তেলের অভাবে যানবাহন চলাচলে বিরূপ প্রভাব এড়ানো।
বিপিসি আরও জানিয়েছে, বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে তেলের মূল্য বৃদ্ধি সংক্রান্ত সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি। তাই, সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত মূল্য আদায় করা যাবে না। সকল ভোক্তা ও ডিলারকে বিপিসির নির্দেশনা মেনে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এর আগে ৬ মার্চ সরকার সর্বমোট মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক ২ লিটার জ্বালানি তেল নির্ধারণ করেছিল। নতুন নিয়মে রাইড শেয়ার মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক সীমা ৫ লিটারে উন্নীত করা হয়েছে, যা চালক ও যাত্রী উভয়ের সুবিধার পাশাপাশি বাজারে তেলের চাহিদা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে।
বিপিসি আশা করছে, এই পদক্ষেপ রাইড শেয়ার সেবাগ্রহীতাদের চলাচল সহজ করবে এবং তেলের সরবরাহে যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।