খেলাধূলা ডেস্ক
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সাকিব আল হাসানকে জাতীয় দলে ফিরিয়ে আনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। বোর্ড সরকারকে সাবেক এই অধিনায়কের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া আইনি মামলার সম্পর্কিত নথি জমা দিয়েছে, যা সাকিবের দেশে ফেরার পথকে আরও সুগম করতে সহায়তা করবে। ক্রিকেট বিষয়ক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সরকারের সহযোগিতায় এবং বোর্ডের উদ্যোগে সাকিবকে পুনরায় জাতীয় দলের হয়ে খেলতে দেখা সময়ের ব্যাপার মাত্র।
সাকিব আল হাসানের নামে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মামলাটি দায়ের হয়েছিল। এর কারণে তার দলে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে শঙ্কা ছিল। তবে নতুন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সরকারের পর্যায়ে ইতোমধ্যেই সবুজ সংকেত দিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী নির্বাচনের আগে এবং দায়িত্ব গ্রহণের পর বারবার বলেছেন, জাতীয় দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের, যেমন সাকিব বা মাশরাফি বিন মর্তুজা, যাতে কোনো রাজনৈতিক বা আইনি জটিলতার কারণে খেলতে বাধা না আসে, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।
বিসিবি কর্মকর্তারা এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন। বোর্ডের পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে সাকিবের আইনি মামলার নিষ্পত্তি এবং তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। সেই সঙ্গে বোর্ড ইতোমধ্যেই সরকারের কাছে সাকিবকে দলে ফেরানোর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কিত তথ্য জানিয়েছে। এই পদক্ষেপটি বোর্ডের উদ্যোগের একটি অংশ, যাতে জাতীয় দলের জন্য অভিজ্ঞ এবং প্রভাবশালী খেলোয়াড় সাকিব মাঠে ফিরতে পারেন।
আগামী মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে অনুষ্ঠিতব্য হোম সিরিজকে কেন্দ্র করে সাকিবের প্রত্যাবর্তন আরও বাস্তবসম্মত হয়ে উঠেছে। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সিরিজে তাকে মাঠে ফিরতে দেখা যেতে পারে, যা বাংলাদেশের জন্য টিম ব্যালেন্স ও অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
সাকিব আল হাসানের নেতৃত্ব এবং অভিজ্ঞতা জাতীয় দলে ফেরানো বোর্ডের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বোর্ড আশা করছে, সরকারের সহযোগিতা এবং আইনি জটিলতার সমাধানের মাধ্যমে তিনি শীঘ্রই মাঠে ফেরার সুযোগ পাবেন। এটি জাতীয় ক্রিকেটের জন্য নতুন প্রেরণা এবং দলের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা রাখে।