নারায়ণগঞ্জে ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার কেওডালা এলাকায় পিতা-পুত্রের ওপর সংঘটিত হামলায় দুলাল মিয়া (৫৬) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতের ঘটনার ফলে স্থানীয়ভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। দুলাল তার পরিবারসহ ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন এবং পেশায় মাছ ব্যবসায়ী ছিলেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার মূল শুরু ঘটে দুলালের ছেলে ওসমান গণি ও প্রতিবেশী সাজিদ নামের এক যুবকের মধ্যে কথার বিরোধ এবং হাতাহাতির কারণে। বিরোধের খবর সাজিদ তার পরিবারকে দেয়। পরবর্তীতে সাজিদের আত্মীয়-স্বজনরা দুলালের বাসায় এসে হামলা চালায়। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও মারামারি হয়।
দুলালের পরিবার অভিযোগ করেছেন, ওই সময় সাজিদের আত্মীয়রা ওসমান গণিকে মারধর করলে দুলাল তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যান। এ সময় হামলাকারীরা দুলালকেও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বন্দর থানা পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
ওসমান গণি জানিয়েছেন, বাড়ির সীমানাপ্রাচীর বেয়ে সাজিদ তার বাবার পিঠে থাপ্পড় দেয় এবং তিনি পাল্টা সাড়া দেন। ঘটনার পর সাজিদ বিষয়টি তার পরিবারকে জানানোর পর তার আত্মীয়রা এসে তার বাবাকে পিটিয়ে হত্যা করে। তিনি জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং প্রাথমিক তদন্তের পর প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার কেওডালা এলাকায় পিতা-পুত্রের ওপর সংঘটিত হামলায় দুলাল মিয়া (৫৬) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতের ঘটনার ফলে স্থানীয়ভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। দুলাল তার পরিবারসহ ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন এবং পেশায় মাছ ব্যবসায়ী ছিলেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার মূল শুরু ঘটে দুলালের ছেলে ওসমান গণি ও প্রতিবেশী সাজিদ নামের এক যুবকের মধ্যে কথার বিরোধ এবং হাতাহাতির কারণে। বিরোধের খবর সাজিদ তার পরিবারকে দেয়। পরবর্তীতে সাজিদের আত্মীয়-স্বজনরা দুলালের বাসায় এসে হামলা চালায়। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও মারামারি হয়।
দুলালের পরিবার অভিযোগ করেছেন, ওই সময় সাজিদের আত্মীয়রা ওসমান গণিকে মারধর করলে দুলাল তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যান। এ সময় হামলাকারীরা দুলালকেও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বন্দর থানা পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
ওসমান গণি জানিয়েছেন, বাড়ির সীমানাপ্রাচীর বেয়ে সাজিদ তার বাবার পিঠে থাপ্পড় দেয় এবং তিনি পাল্টা সাড়া দেন। ঘটনার পর সাজিদ বিষয়টি তার পরিবারকে জানানোর পর তার আত্মীয়রা এসে তার বাবাকে পিটিয়ে হত্যা করে। তিনি জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং প্রাথমিক তদন্তের পর প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।