1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
হাম প্রাদুর্ভাবে শিশুদের চিকিৎসা নিয়ে অভিভাবকদের অনিশ্চয়তা পলিসি ও প্রশাসন বিষয়ে অধ্যাদেশ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বাধা ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করতে চায় সরকার: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় ২৭৬৯ ডলার, ২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য সাবেক আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুলের মন্তব্যে পুনর্বাসন ও অগ্রাধিকার খেলাপী ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের গণমাধ্যম সহযোগিতা জোরদার করার আলোচনা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের গণমাধ্যম সহযোগিতা জোরদার করার আলোচনা সরকারি কর্মচারীরা দ্বিতীয় দিনও নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মসূচি চালাচ্ছেন মাভাবিপ্রবিতে প্রক্টরের পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষার্থী আন্দোলন, উপাচার্য কার্যালয়ে তালা

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪.৭৮ বিলিয়ন ডলার

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে

 

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমানে ৩৪.৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দাঁড়িয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম৬) পদ্ধতি অনুসারে দেশের নিট রিজার্ভের পরিমাণ ৩০.০৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (তারিখ অনুযায়ী নির্দিষ্ট করা যায়) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে সাম্প্রতিক সময়ে স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা দেশের অর্থনীতির লিকুইডিটি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক লেনদেন পরিচালনার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ মূলত আমদানি ব্যয়, বিদেশী ঋণ পরিশোধ, এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ ও রেমিট্যান্স পরিচালনার জন্য ব্যবহার হয়। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, রিজার্ভের এই পরিমাণ দেশের কয়েক মাসের আমদানি ব্যয় মেটাতে সক্ষম, যা বিদেশি মুদ্রা সংকট প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, রিজার্ভের এই অবস্থান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ঋণ ও ঋণশোধের চাপের মধ্যে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতিফলন। নিট রিজার্ভের পরিমাণ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী হিসাব করলে বোঝা যায়, বৈদেশিক আয় এবং খরচের মধ্যে ভারসাম্য রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রেমিট্যান্স প্রবাহ, রপ্তানি আয়, এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী করতে পারবে। একই সঙ্গে, ভ্রমণ ও ব্যবসায়িক ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, আমদানি ব্যবস্থাপনা, এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ দেশের রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক কাঠামো, বিশেষ করে বৈদেশিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের প্রবণতা, এই রিজার্ভের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম, খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য ওঠানামা, এবং বৈশ্বিক আর্থিক শর্তাবলী রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় প্রভাবিত হতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করে চলেছে। ব্যাংকের নীতিমালার মধ্যে রয়েছে বৈদেশিক ঋণ, আমদানি ব্যয়, এবং বৈদেশিক বিনিয়োগের জন্য পর্যাপ্ত মুদ্রা সংরক্ষণ করা। এটি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে দেশের বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতে সহায়ক।

এই রিজার্ভের পর্যবেক্ষণ দেশের মুদ্রাস্ফীতি, বিনিয়োগ ও রপ্তানি নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকারের অর্থনৈতিক নীতি এবং ব্যাংকের রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা একত্রে দেশের আর্থিক নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে সহায়ক হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026