1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে লিভারপুলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ নিশ্চিত করল অ্যাস্টন ভিলা সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার ইন্তেকাল দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিতে কমলো ২,২১৬ টাকা গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় শিশু ও নারীসহ নিহত ৭, আহত অর্ধশতাধিক ডেভিড বেকহামের নতুন রেকর্ড: যুক্তরাজ্যের প্রথম বিলিয়নিয়ার ক্রীড়াবিদ ২৬ মে’র ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু আজ চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের মৃত্যু হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ ডা. তাসনিম জারার, সংসদীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি চিফ হুইপের

প্রধান বিচারপতির নির্দেশে অধস্তন আদালতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৩৩ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী দেশের অধস্তন আদালতের বিচারকদের ফেসবুকসহ সকল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে কঠোর সতর্কতা জারি করেছেন। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে জেলা ও দায়রা জজ এবং চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশে দেওয়া এক অভিভাষণে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, আদালতের কর্মঘণ্টার মধ্যে কোনো বিচারক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না। প্রধান বিচারপতি সতর্ক করে বলেন, যদি কোনো বিচারক এই নির্দেশনা লঙ্ঘন করেন এবং প্রমাণিত হয়, তবে তা তার বিচারিক জীবনের জন্য শেষ পর্যায় হবে।

প্রধান বিচারপতি এই হুঁশিয়ারিটি দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণের পর অধস্তন আদালতের বিচারকদের উদ্দেশ্যে দেওয়া তার প্রথম আনুষ্ঠানিক ভাষণে প্রদান করেছেন। তিনি বিচারকদের সততা ও দায়িত্বপরায়ণতা নিয়ে তৎপর থাকার আহ্বান জানান। বিচারকের দায়িত্বের সঙ্গে দুর্নীতি বা অনিয়মের কোনো স্থান নেই বলে তিনি জোর দিয়ে বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিচার বিভাগে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। কোনো বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আদালতের কার্যক্রমে গতি এবং মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির ওপর প্রধান বিচারপতি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি নির্দেশ দেন, শুনানি শেষ হওয়ার তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে রায় প্রদান করতে হবে। রায় প্রদানে বিলম্ব হলে বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি বৃদ্ধি পায় এবং আদালতের সময়ও অপচয় হয়, উল্লেখ করে তিনি বলেন।

আদালত প্রাঙ্গণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়ে প্রধান বিচারপতি বিশেষ নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, শুধুমাত্র আইনজীবী ও মামলার পক্ষের ব্যক্তিরা এজলাসে প্রবেশ করতে পারবে। হকার বা ভাসমান বিক্রেতাদের আদালত প্রাঙ্গণে প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হবে। এছাড়াও আইনজীবীদের ড্রেসকোড মেনে চলা নিশ্চিত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি গত ২৩ ডিসেম্বর বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন এবং তিনি ২৮ ডিসেম্বর শপথ গ্রহণ করেন। বর্তমানে অধস্তন আদালতে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত অফিস সময় এবং সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিচারিক কর্মঘণ্টা নির্ধারিত রয়েছে।

প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের বিচার বিভাগের নীতি ও শৃঙ্খলা আরো কড়া হবে এবং বিচারিক প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও দ্রুততা নিশ্চিত করতে আইনজীবী ও বিচারকদের কার্যক্রম আরও নিয়ন্ত্রিত হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026