1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইয়ামালের ২ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট, স্পেনের আরেকটি জয় নিউইয়র্ক সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বুধবার জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে দেশের জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে: রাষ্ট্রপতি লন্ডন সামিটে বাংলাদেশের জ্বালানি সম্ভাবনা উপস্থাপন মিরপুরের ক্রিকেট মঞ্চে কচুয়ার সন্তান ইরফান আহমেদ তুষার থার্ড টার্মিনাল চালু হলে কেমন সেবা পাবেন যাত্রীরা? বিমান বাহিনীর ৭৬তম ফ্লাইট সেফটি অফিসার্স কোর্সের সনদ বিতরণ বাংলাদেশ বিমানে তানভীর মোকাম্মেলের ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’ প্রদর্শন বন্ধ দেশের ক্রিকেটে প্রথম ‘ম্যানেজমেন্ট ড্রাফট’: ডি থ্রি ট্রফির ছয় দল পেল কোচিং স্টাফ ট্রফি উন্মোচিত হলো যবিপ্রবির আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতার

ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পেছনে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১১৮ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

লেখক, গবেষক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড একটি টার্গেটেড কিলিং এবং এর উদ্দেশ্য ছিল দেশে একটি ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করে নির্বাচন বানচাল করা। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর এফডিসিতে ‘আগামী নির্বাচনে তরুণ ভোটারদের ভূমিকা’ শীর্ষক ছায়া সংসদে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান আরও জানান, ওসমান হাদি মনে করতেন যে, রাজনৈতিক সংকটের একমাত্র সমাধান হল নির্বাচন। তিনি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে আগ্রহী ছিলেন, তবে তাকে হত্যার মাধ্যমে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে বিপন্ন করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে দেশি-বিদেশি অপশক্তি জড়িত থাকার অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর মতে, দেশে যখন এক পক্ষ অন্য পক্ষকে হুমকি দেয়, তখন ভেস্টেড ইন্টারেস্ট গ্রুপগুলো এই পরিস্থিতিকে নিজেদের সুবিধার জন্য কাজে লাগায়।

ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পর দেশে যে নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়েছে, তাও অত্যন্ত দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, “হাদির হত্যাকাণ্ডে কেউই দুঃখিত হয়নি, তবে তার মৃত্যুর পর সৃষ্ট বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি আরও ভয়ের সৃষ্টি করেছে।” তিনি আরও বলেন, “গণমাধ্যমে ভাঙচুর বা অগ্নিসংযোগ করে প্রতিবাদ করা সঠিক নয়।”

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ, অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বলেন, “আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও ওসমান হাদিকে বাঁচাতে পারিনি। তার হত্যাকাণ্ড জাতির জন্য একটি কালো অধ্যায়।” তিনি আরও বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডের জন্য যারা দায়ী, তারা ইতিহাসে কাপুরুষ হিসেবে চিহ্নিত হবে। এর পেছনে ষড়যন্ত্রকারীরা রয়েছেন, যারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চাইছেন।”

এছাড়া, তিনি এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ফ্যাসিস্ট শক্তির যোগসাজশ থাকার সম্ভাবনা উল্লেখ করেন। “জুলাই মাসে অভ্যুত্থানের চেতনা ব্যর্থ না হতে দিলে, হাদির রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না,” তিনি বলেন। তিনি আরও বলেন, “যতদিন পর্যন্ত এই ষড়যন্ত্রকারীরা তাদের চেষ্টা চালিয়ে যাবে, ততদিন পর্যন্ত আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।”

ছায়া সংসদের বিচারক হিসেবে ছিলেন সাংবাদিক কাজী হাফিজ, মো. আলমগীর হোসেন, জাকির হোসেন লিটন, কাজী জেবেল ও মো. আতিকুর রহমান। এতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট গার্লস পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজকে পরাজিত করে প্রথম স্থান অর্জন করে। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট এবং সনদপত্র প্রদান করা হয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026