1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

গণভোট অধ্যাদেশ উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০৩ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

ঢাকা, মঙ্গলবার: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশেষ বৈঠকে উপদেষ্টা পরিষদ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় আইন অনুমোদন করে। বৈঠকে সরকার জানিয়েছে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশকৃত সংস্কার প্রস্তাবগুলো নিয়ে জনগণের মতামত জানতে এই গণভোট আয়োজন করা হবে।

এর আগে, গত ২০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত বৈঠকে গণভোট আইন অনুমোদন করা হয়। বৈঠকে সরকার সংক্রান্ত পক্ষ জানিয়েছে, জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনার জন্য এই আইন প্রণয়ন অপরিহার্য। সরকার সূত্রে জানা যায়, আইন চূড়ান্ত হওয়ার পর কয়েক কার্যদিবসের মধ্যে গণভোট আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু হবে।

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া ও তার প্রয়োগের কাঠামো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এতে বলা হয়, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভোটারদের সহজে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

বিশেষ বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়, গণভোট আয়োজনের দিন নির্ধারণ, ভোটগ্রহণের পদ্ধতি ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব নির্ধারণে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করা হবে। বৈঠক শেষে জানা যায়, সরকার জনগণের মতামত গ্রহণের মাধ্যমে নির্বাচনী সংস্কার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গণভোটকে কেন্দ্রীয় ভূমিকা দিতে চায়।

সরকারের এই উদ্যোগের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় জনসাধারণের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাত দেওয়া হয়। এই অধ্যাদেশ বাস্তবায়নের সঙ্গে সঙ্গে ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রশাসনিক প্রস্তুতিও ত্বরান্বিত করা হবে।

উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আইন প্রণয়নের পর নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন তৎপর হয়ে ভোটারদের সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করবে। এছাড়া, আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে নির্বাচনী সংস্কার প্রস্তাবগুলো কার্যকর করার সম্ভাবনাও সুসংহত হবে।

এই ধারা অনুযায়ী, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন জনগণের সরাসরি মতামত জানাতে গণভোট আয়োজন করা হবে। সরকারের এই পদক্ষেপকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশকৃত সংস্কার প্রক্রিয়ার সঙ্গে সমন্বিত করে জাতীয় নির্বাচনী ব্যবস্থার উন্নয়ন ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026