1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
অবিলম্বে সাংবিধানিক সংস্কার কাউন্সিল গঠনের দাবি নাহিদ ইসলামের বাংলাদেশ-পাকিস্তান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও পাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক প্রাথমিক শিক্ষা শক্তিশালী হলে সামাজিক অস্থিরতা কমবে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ২৪ ঘণ্টায় হামে ৯ মৃত্যু, আক্রান্ত আরও ১৪৩৫ জন বিচারের ক্ষেত্রে জনপ্রিয় সিদ্ধান্তের চেয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান আইনমন্ত্রীর সাজেকে পাহাড়ে সশস্ত্র হামলায় ইউপিডিএফ কর্মী নিহত ১০৭ পুলিশ সদস্যকে বিপিএম-পিপিএম পদক প্রদান করছেন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে ভরাডুবির পরও পদত্যাগ করছেন না কিয়ার স্টারমার রাজধানীর বিমানবন্দর স্টেশনে চলন্ত ট্রেনে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে ব্যবসায়ী আহত গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা

ছয় খাবারে ডায়রিয়ার জীবাণু নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের গবেষণা

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১০ জুন, ২০২৪
  • ১০৪ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।

 

চটপটি, আঁখের রসসহ রাজধানীর রাস্তার পাশে বিক্রি হওয়া ছয় ধরনের খাবারে মিলেছে মাত্রাতিরিক্ত এশেরিকিয়া কোলাই (ই-কোলাই), সালমোনেলা এসপিপি ও ভিব্রিও এসপিপি ব্যাকটেরিয়া। এসব খাবার খেয়ে ডায়রিয়াসহ নানা রোগে ভুগছে মানুষ।

গতকাল বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) গবেষণার ফলাফল অবহিতকরণ শীর্ষক সেমিনারে এসব তথ্য জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড নিউট্রেশন অ্যান্ড এগ্রিকালচার রিসার্চ ল্যাবরেটরির প্রধান ও গবেষণা দলের প্রধান ড. মো. লতিফুল বারি। বিএফএসএ-এর প্রশিক্ষণ কক্ষে এই গবেষণা ফলাফল তুলে ধরা হয়। বিএফএসএ-এর অর্থায়নে মো. লতিফুল বারি ও তার দল এই গবেষণা করেন।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জাকারিয়ার সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য ডা. মোহাম্মদ মোস্তফা। এ সময় ফল নিয়ে আরেকটি গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের হর্টিকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল হাসান এম সোলায়মান।
চটপটি, ছোলামুড়ি, স্যান্ডউইচ, আঁখের রস, অ্যালোভেরা শরবত ও মিক্সড সালাদের ওপর এই গবেষণা চালায় গবেষক দলটি। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩৭টি জোন থেকে এসব স্ট্রিট ফুডের ৪৫০টি নমুনা সংগ্রহ করে সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়।

গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, গড়ে প্রতি প্লেট চটপটিতে ৭ কোটি ২০ লাখ ই-কোলাই, সাড়ে ৭০০ সালমোনেলা ও সাড়ে ৭০০ ভিব্রিও ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গেছে। ছোলামুড়িতে ই-কোলাই পাওয়া গেছে সাড়ে ৭ লাখ ৪০ হাজার, সালমোনেলা ২ হাজার ও ভিব্রিও ৩০ লাখ। স্যান্ডউইচে ই-কোলাই পাওয়া গেছে ২ হাজার, সালমোনেলা ২ হাজার ও ভিব্রিও ১ কোটি ৬০ হাজার। আঁখের রসে ই-কোলাই পাওয়া গেছে ৬৫ হাজার, সালমোনেলা ১৭ হাজার ও ভিব্রিও ১৩ হাজার। অ্যালোভেরা সরবতে ই-কোলাই পাওয়া গেছে ৫৬ হাজার, সালমোনেলা ১৮ লাখ ও ভিব্রিও ১৪ হাজার। মিক্স সালাদে ই-কোলাই পাওয়া গেছে ১ হাজার ৮০০, সালমেনোলা ৫১০ ও ভিব্রিও ৩০০।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, এসব স্ট্রিট ফুড খেয়ে প্রতি ১০ হাজার মানুষে ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়ার কারণে দুজন, সালমেনোলা ব্যাকটেরিয়ার কারণে চারজন ও ভিব্রিও ব্যাকটেরিয়ার কারণে মাত্র একজন অসুস্থ হচ্ছেন। গবেষণা দলের প্রধান মো. লতিফুল বারি বলেন, দূষিত পানি, নোংরা গামছা, অপরিষ্কার হাত, ধুলাবালিময় পরিবেশের কারণে এই ধরনের জীবাণু খাবারে মিশে যাচ্ছে। বিক্রেতাদের স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন সম্পর্কে জ্ঞান ও ধারণা কম থাকায় খাবার ও জুসে জীবাণু ঢুকে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সড়কের বিভিন্ন খাবারে খেয়ে মানুষ ই-কোলাই, সালমেনোলা ও ভিব্রিওর মতো জীবাণুতে সংক্রামিত হচ্ছে। এ সময় তিনি স্ট্রিট ফুড নিরাপদ করতে বিক্রেতাদের প্রশিক্ষণ ও প্রতিদিন মনিটরিং করার ওপর জোর দেন

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026