1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: হাসনাত আবদুল্লাহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রবাসীদের ভূমিকা অনন্য: দক্ষিণ কোরিয়ায় নাগরিক সংবর্ধনায় আসিফ মাহমুদ সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনারের সাথে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহীতে শ্রমিক অসন্তোষ: ফেডারেশন ঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা জামায়াত জোট ত্যাগ করার জন্য শরিক চার দলকে হেফাজতে ইসলামের চাপ অধ্যাদেশ বাতিল করে মানবাধিকার ও গুম প্রতিরোধে নতুন আইনের খসড়া চূড়ান্ত অসাধু দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি ধর্মমন্ত্রীর: কোরবানির চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের নির্দেশ ৩ লাখ কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন, নিজস্ব অর্থায়ন ১ লাখ ৯৯ হাজার কোটি নেতানিয়াহুর দুর্নীতির মামলার শুনানি আবারও স্থগিত ঈদযাত্রায় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ১৩ দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে সিএনজি স্টেশন

নৌকায় আঘাত হানবেন যত স্বতন্ত্র প্রার্থী

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১৩৭ বার দেখা হয়েছে

আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে খ্যাত গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর-কাশিয়ানী) আসন। ১৯৯৬ সালের সপ্তম সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর থেকে গোপালগঞ্জ-১ লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খানের আসন বলেই পরিচিত হয়ে আসছে। অবশ্য কোনো নেতার ক্যারিশমাটিক ব্যক্তিত্ব বা জনপ্রিয়তার কারণে নয়, নেহাত আঞ্চলিকতার মাপকাঠিতে এটি আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত আসন বলে বিবেচিত। ১৯৫১ সালে মুকসুদপুরের বেজড়া গ্রামে জন্ম নেওয়া ও ডিফেন্স স্টাডিজে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী মুহাম্মদ ফারুক খান ১৯৯৫ সালে সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণের পরপরই আওয়ামী লীগে যোগদান করেন এবং ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীরূপে বিজয়ী হন। পরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক হওয়া ফারুক খান ধাপে ধাপে সংসদে বিরোধীদলীয় হুইপ থেকে সরকারের মন্ত্রীও হন। বর্তমানে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য পদে আসীন থাকা এ সাবেক মন্ত্রী যথারীতি নৌকার প্রার্থী হলেও তাঁর গলার কাঁটা হয়ে বিঁধছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মুকসুদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান কাবির মিয়া। এই কাবির মিয়ার প্রার্থিতা বাতিলের খবরে কর্নেল ফারুক খানের সমর্থককুলের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসছিল। কিন্তু ১০ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনের রায়ে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় নৌকার অনুসারীদের মাঝে আবারও অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন কাবির মিয়া। তিনি উপজেলা পরিষদের নির্বাচনেও স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হওয়া উপজেলা চেয়ারম্যান কাবির মিয়া ৭ জানুযারির নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এতটাই আলোড়ন তুলেছেন যে, আওয়ামী লীগের পাঁচবারের সংসদ সদস্য কর্নেল ফারুক খানের ভাগ্য নিয়ে রীতিমতো সমর্থকরাই সংশয়ে। সংশয়ের মাত্রাটা এতটাই প্রকট হয়ে উঠেছে যে, ফারুক খানের মেয়ে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক-ইউটিউব লাইভে এসে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ভোটপ্রার্থনা করছেন। বাবার পক্ষে মেয়ের এবারই প্রথম ভোট চাওয়ার বিষয়টিও দলের স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে। ফারুক খান নৌকার প্রতীক নিয়ে লড়লেও আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকরা বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। তরুণ ভোটারদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় কাবির মিয়ার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে উপজেলা চেয়ারম্যান হওয়াটা ছিল রীতিমতো বিস্ময়ের। সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাবির মিয়াকে নিয়ে আলোচনাটাও তাই তুঙ্গে। স্বতন্ত্র প্রার্থী শুধু কাবির মিয়া নন, নির্বাচনের দিন যত এগোচ্ছে, ততই বিভিন্ন আসনে নৌকার প্রার্থীর সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026