1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরে আদালতের মুখোমুখি হওয়া উচিত: সমাজকল্যাণমন্ত্রী ফরিদপুরে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি চাল উদ্ধার টানা তিন দফায় কমলো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমলো ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে অডিট সনদের বাধ্যবাধকতা বাতিল যুক্তরাজ্যে শিক্ষামন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সঙ্গে ব্রিটিশ কাউন্সিলের বৈঠক ঈদুল আজহায় পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়েতে বিশেষ ট্রেন ও অতিরিক্ত বগি সংযোজনের সিদ্ধান্ত গ্রিনল্যান্ডে স্থায়ী সামরিক উপস্থিতি ও ভেটো ক্ষমতা চায় ট্রাম্প প্রশাসন: রুদ্ধদ্বার বৈঠক ফাঁস রাশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের জন্য সালাহকে অধিনায়ক করে মিশরের ২৭ সদস্যের দল ঘোষণা অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার গ্রানিত জাকার নেতৃত্বে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে সুইজারল্যান্ড ইবোলার টিকা বাজারে আসতে আরও ৯ মাস লাগতে পারে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

এ কী হাল এফডিসির বেতন-ভাতা বন্ধ, শুটিং নেই, বছরের পর বছর লোকসান

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৩
  • ২৩৩ বার দেখা হয়েছে

গত চার-পাঁচ বছরে অবসরে যাওয়া এফডিসির ৫৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী তাঁদের গ্রাচ্যুয়িটি বাবদ পাওনা সাড়ে ১২ কোটি টাকা এখনো বুঝে পাননি। তাঁরা কোনো পেনশনও পাচ্ছেন না বলে পরিবার-পরিজন নিয়ে দিনের পর দিন উপোস করছেন। অর্থের অভাবে চিকিৎসাও ব্যাহত হচ্ছে। চলতি মাসে তাঁদের সন্তানদের স্কুলের বেতন ও বার্ষিক পরীক্ষার ফি দিতে না পারায় অনেকেই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি।  উপোস আর হতাশায় অবসাদগ্রস্ত হয়ে এ পর্যন্ত আটজনের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে।

দুই মাস ধরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বন্ধ, চলতি মাস শেষের পথে, এ মাসের বেতনও অনিশ্চিত। অবসরগ্রহণকারীরাও বছরের পর বছর পাচ্ছেন না প্রাপ্য, তাঁরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এফডিসির এমন করুণ অবস্থা এখন। এর মূল কারণ সংস্থাটির আয় কমে যাওয়া। যেমন- গত তিন মাসে এফডিসিতে কাজ হয়েছে মাত্র দুটি ছবির। এফডিসির একটি সূত্র জানায়, সংস্থাটিতে বর্তমানে স্টাফ রয়েছেন ২১৫ জন। প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ তাঁদের মাসিক বেতনের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ২ লাখ টাকা। তাছাড়া বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচসহ এই সংস্থার মাসিক ব্যয়ের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা। অথচ এর বিপরীতে চলচ্চিত্রের কাজ থেকে আয় মাত্র ৫০ থেকে ৫৫ লাখ টাকা। এই আয় কমে যাওয়ায়ই এফডিসি পড়েছে চরম সংকটে। এমন চিত্র কমপক্ষে ২০১০ সাল থেকে। অর্থের অভাবে পরিশোধ করা যাচ্ছে না বলে বিদ্যুৎ ও পানির বকেয়া বিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি টাকারও বেশি। সর্বশেষ এলিভেটর এক্সপ্রেসের জন্য এফডিসির সামনের রাস্তাটি অধিগ্রহণ বাবদ এফডিসিকে সরকার যে ৬ কোটি টাকা প্রদান করে তা এফডিআর করে রাখা হয় এবং তা থেকে লোন নিয়ে বেতন পরিশোধ চলছিল। বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026