1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিশ্বকাপে মিশরের ঐতিহাসিক পারফরম্যান্সের প্রশংসা ফিফা সভাপতির, রেফারিং নিয়ে নীরবতা কমিউনিটি ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে পল্লী বিদ্যুতের বিল, বিআরইবির সঙ্গে চুক্তি ফ্রান্স-মরক্কো কোয়ার্টার ফাইনালে পুরো রেফারি প্যানেলই আর্জেন্টিনার যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে বর্ণবাদের শিকার ইউটিউবার আইশোস্পিড, তদন্তে ফিফা মিশরকে হারিয়ে মেসির সাত রেকর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামকরণ ও বিদ্যমান নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত কমিটির সভা অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সদরদফতরে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী: আপিল শুনানির রায় ঘোষণা বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে স্পিকারের কড়া হুঁশিয়ারি, সংসদ কক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহার না করার রুলিং সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক বনানীর হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক মামলায় গ্রেফতার

সিনেমা হল উন্নয়ন থেমে আছে যে কারণে

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৮৫ বার দেখা হয়েছে

দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের অচলাবস্থা কাটাতে সরকারের সদিচ্ছার সীমা নেই। এ লক্ষ্যে চলচ্চিত্র নির্মাণে দফায় দফায় সরকার সরকারি অনুদানের অর্থ বৃদ্ধি করে যাচ্ছে। শুধু ভালো ছবি নির্মাণ করলে চলবে না। ছবি প্রদর্শনের জন্য চাই দর্শক উপযুক্ত সিনেমা হল। আর তাই সরকার এই দিকটায়ও নজর দিয়েছেন। ২০২০ সালের ২৫ আগস্ট জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিনেমা হল নির্মাণে ঋণ তহবিল গঠনের ঘোষণা দেন। এর দুই দিন পর তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে দেখা করে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট সমিতির নেতারা। তখন বন্ধ হয়ে যাওয়া হলের সংস্কার ও নতুন সিনেমা হল তৈরিতে স্বল্প সুদে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার উদ্যোগের কথা জানায় সরকার। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে ঋণ তহবিলের পরিমাণ বাড়িয়ে ১ হাজার কোটি টাকা করা হয়। পরবর্তীতে ৫০০ কোটি টাকা প্রথম পর্যায়ে ছাড় করানো হয়। এই ঋণ বিতরণে সরকারের নির্দেশে বাংলাদেশ ব্যাংক তফসিলি ব্যাংকগুলোকে ঋণ প্রদানের দায়িত্ব দেয়। চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির অভিযোগ বছরের পর বছর পার হয়ে গেলেও শুধু ব্যাংকগুলোর অসহযোগিতার কারণে ঋণ পাচ্ছে না সিনেমা হল মালিকরা। প্রদর্শক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা সুদীপ্ত কুমার দাস জানান, এখন পর্যন্ত অগ্রণী ব্যাংকে ৩৫টি, সোনালী ব্যাংকে পাঁচটি ও রূপালী ব্যাংকে চারটি আবেদন ও প্রজেক্ট প্রোফাইল জমা পড়ে আছে। কিন্তু ব্যাংকের নানা তালবাহানার কারণে ঋণের দেখা পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026