1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরে আদালতের মুখোমুখি হওয়া উচিত: সমাজকল্যাণমন্ত্রী ফরিদপুরে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি চাল উদ্ধার টানা তিন দফায় কমলো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমলো ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে অডিট সনদের বাধ্যবাধকতা বাতিল যুক্তরাজ্যে শিক্ষামন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সঙ্গে ব্রিটিশ কাউন্সিলের বৈঠক ঈদুল আজহায় পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়েতে বিশেষ ট্রেন ও অতিরিক্ত বগি সংযোজনের সিদ্ধান্ত গ্রিনল্যান্ডে স্থায়ী সামরিক উপস্থিতি ও ভেটো ক্ষমতা চায় ট্রাম্প প্রশাসন: রুদ্ধদ্বার বৈঠক ফাঁস রাশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের জন্য সালাহকে অধিনায়ক করে মিশরের ২৭ সদস্যের দল ঘোষণা অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার গ্রানিত জাকার নেতৃত্বে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে সুইজারল্যান্ড ইবোলার টিকা বাজারে আসতে আরও ৯ মাস লাগতে পারে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

সিনেমা হল উন্নয়ন থেমে আছে যে কারণে

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৭০ বার দেখা হয়েছে

দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের অচলাবস্থা কাটাতে সরকারের সদিচ্ছার সীমা নেই। এ লক্ষ্যে চলচ্চিত্র নির্মাণে দফায় দফায় সরকার সরকারি অনুদানের অর্থ বৃদ্ধি করে যাচ্ছে। শুধু ভালো ছবি নির্মাণ করলে চলবে না। ছবি প্রদর্শনের জন্য চাই দর্শক উপযুক্ত সিনেমা হল। আর তাই সরকার এই দিকটায়ও নজর দিয়েছেন। ২০২০ সালের ২৫ আগস্ট জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিনেমা হল নির্মাণে ঋণ তহবিল গঠনের ঘোষণা দেন। এর দুই দিন পর তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে দেখা করে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট সমিতির নেতারা। তখন বন্ধ হয়ে যাওয়া হলের সংস্কার ও নতুন সিনেমা হল তৈরিতে স্বল্প সুদে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার উদ্যোগের কথা জানায় সরকার। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে ঋণ তহবিলের পরিমাণ বাড়িয়ে ১ হাজার কোটি টাকা করা হয়। পরবর্তীতে ৫০০ কোটি টাকা প্রথম পর্যায়ে ছাড় করানো হয়। এই ঋণ বিতরণে সরকারের নির্দেশে বাংলাদেশ ব্যাংক তফসিলি ব্যাংকগুলোকে ঋণ প্রদানের দায়িত্ব দেয়। চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির অভিযোগ বছরের পর বছর পার হয়ে গেলেও শুধু ব্যাংকগুলোর অসহযোগিতার কারণে ঋণ পাচ্ছে না সিনেমা হল মালিকরা। প্রদর্শক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা সুদীপ্ত কুমার দাস জানান, এখন পর্যন্ত অগ্রণী ব্যাংকে ৩৫টি, সোনালী ব্যাংকে পাঁচটি ও রূপালী ব্যাংকে চারটি আবেদন ও প্রজেক্ট প্রোফাইল জমা পড়ে আছে। কিন্তু ব্যাংকের নানা তালবাহানার কারণে ঋণের দেখা পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026