1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিশ্বকাপে মিশরের ঐতিহাসিক পারফরম্যান্সের প্রশংসা ফিফা সভাপতির, রেফারিং নিয়ে নীরবতা কমিউনিটি ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে পল্লী বিদ্যুতের বিল, বিআরইবির সঙ্গে চুক্তি ফ্রান্স-মরক্কো কোয়ার্টার ফাইনালে পুরো রেফারি প্যানেলই আর্জেন্টিনার যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে বর্ণবাদের শিকার ইউটিউবার আইশোস্পিড, তদন্তে ফিফা মিশরকে হারিয়ে মেসির সাত রেকর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামকরণ ও বিদ্যমান নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত কমিটির সভা অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সদরদফতরে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী: আপিল শুনানির রায় ঘোষণা বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে স্পিকারের কড়া হুঁশিয়ারি, সংসদ কক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহার না করার রুলিং সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক বনানীর হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক মামলায় গ্রেফতার

স্যান্ডউইচ বিক্রেতা থেকে বলিউড মুঘল

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২০১ বার দেখা হয়েছে

ইউসুফ খান, তাঁর বাবা ছিলেন ফল ব্যবসায়ী। বাবার ফলের ব্যবসা দেখার পাশাপাশি নিজে স্যান্ডডউইচের দোকান দেন। তবে বেশি দিন তাঁকে এসব ব্যবসা করতে হয়নি। ঘটনাচক্রে হয়ে গেলেন বলিউড বাসিন্দা। বলিউডের প্রথম এই সুপারস্টারকে বলিউড মুঘল হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়েছে। তাঁকে নিয়ে লিখেছেন- আলাউদ্দীন মাজিদ

 

স্যান্ডউইচের দোকান দিয়ে পেশা শুরু

 

বলিউডের ‘ট্র্যাজেডি কিং’ ও ‘বলিউড মুঘল’ বলা হতো তাঁকে। হতে চেয়েছিলেন ব্যবসায়ী কিন্তু ঘটনাচক্রে হয়ে গেলেন বলিউড হিরো। সুদূর পেশোয়ার থেকে বলিউডের সফর মোটেও সহজ ছিল না দিলীপ কুমারের। বলিউড দাপিয়েছেন ছয় দশক ধরে। দিলীপ কুমারের বাবা ছিলেন ফলের ব্যবসায়ী, তাঁর ফলের বাগানও ছিল। ১৯৩০ সালের শেষের দিকে, ১২ সদস্যের পরিবার নিয়ে মুম্বাইয়ে পাড়ি জমান দিলীপ কুমারের বাবা। দিলীপ কুমার নাসিকের কাছাকাছি দেওলিয়ার বার্নস স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা জীবন শুরু করেন। তবে বাবার সঙ্গে একরোখা ছেলের সম্পর্ক কিছুতেই ভালো হতো না। কথা কাটাকাটির জেরে ১৯৪০ সালের এক দিন বাড়ি ছেড়েই বেরিয়ে পড়লেন কিশোর ইউসুফ। তাঁর ছোটবেলার বন্ধু ছিলেন রাজ কাপুর। বাড়ি ছাড়ার পর ইউসুফের পুণের কথা মনে পড়ল। সেখানে পৌঁছে আলাপ হলো এক ক্যাফে মালিকের সঙ্গে। পাশে পেলেন এক অ্যাংলো ইন্ডিয়ান দম্পতিকে। তাঁদের সহায়তায়ই দিলীপ কুমার সেনাবাহিনী ক্লাবের কাছে স্যান্ডউইচের দোকান খুলে ফেলেন। তাঁর ব্যবসাও রমরমিয়ে চলতে শুরু করে। ইংরেজি ভালো বলতে আর লিখতে পারতেন। ব্যবসা দাঁড় করাতে সময় নিলেন না। বাড়ি ফিরলেন ৫ হাজার টাকা জমিয়ে। বেশ কয়েক বছর সেখানে কাজ করার পর ফের মুম্বাই ফিরে বাবার ফলের ব্যবসায় হাত লাগান। তখনো অবধি জীবনের লক্ষ্য ছিল, ব্যবসায়ী হওয়া।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026