1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে শিশুদের সর্বোত্তম চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ৩১ হাজার ৯৮ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ পাস: আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের বিতর্ক ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে, সুরক্ষায় বসছে ১২ লাখ পানির উৎস বিটাকের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি দেশের দক্ষ জনশক্তির চাহিদা পূরণে সক্ষম: শিল্পমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির অভিযোগও খতিয়ে দেখা হবে: তথ্য উপদেষ্টা বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য ভারসাম্য দীর্ঘমেয়াদে টেকসই করার তাগিদ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আগামীকাল ব্যাংক হলিডে: বন্ধ থাকবে ব্যাংক ও শেয়ারবাজারের লেনদেন ইরানের আইআরজিসি নৌবাহিনীর রাজনৈতিক উপপ্রধান মোহাম্মদ আকবারজাদেহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পোস্টাল ব্যালট নিবন্ধন চালু হাছান মাহমুদ ও নওফেলসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু

সরু হয়ে যাচ্ছে নদনদী নাব্য সংকটে বন্ধ হচ্ছে রুট

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১ মে, ২০২৩
  • ১১৩ বার দেখা হয়েছে

বাঁচানোই যাচ্ছে না দেশের নদনদী। ১৯৬৭ সালের পর ৪৩ বছরে হারিয়ে গেছে ২০ হাজার কিলোমিটারের বেশি নৌপথ। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে নৌপথ পুনরুদ্ধারে বিশেষ গুরুত্ব দিলেও দৃশ্যমান অগ্রগতি সামান্যই। একদিকে চলছে ড্রেজিং, অন্যদিকে ভাঙন আর উজানের পলি জমে ভরছে নদী। নদীখেকোদের দখল-দূষণেও মরছে নদী। কমে গেছে নদীগুলোর পানি প্রবাহ। অনেক স্থানে ড্রেজিংয়ের বালু ফোরশোরে ফেলে নদী সরু করে ফেলা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজনৈতিক দখল, অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ড্রেজিং, নৌপথ রক্ষায় নামমাত্র বাজেট বরাদ্দ, আন্তসীমান্ত নদীগুলো থেকে পানির ন্যায্য হিস্সা না পাওয়া ও একক কোনো প্রতিষ্ঠান দায়িত্ব নিয়ে নদী নিয়ে কাজ না করায় নদীগুলো বাঁচানো যাচ্ছে না। আর নদী মরলে দেশের কৃষি ও জীববৈচিত্র্য হুমকিতে পড়বে। ভয়াবহ খরার মুখে পড়বে দেশ। ১২২ কিলোমিটার খরস্রোতা করতোয়া নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে উঠেছিল প্রাচীন পুন্ড্রনগরী। পুন্ড্র সভ্যতার সঙ্গে এখন ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিতে চলেছে করতোয়া নদীও। নদীটির ৪০ কিলোমিটারই এখন মরা নদী। বাকি অংশ কোনো রকমে টিকে আছে। এক সময় ঢাকা থেকে স্টিমারে চড়ে মানুষ যেত চাঁদপুর, বরিশাল, মোংলা হয়ে খুলনা পর্যন্ত। মোংলায় যে স্থানে স্টিমার ঘাট ছিল, সেখানে এখন গড়ে উঠেছে থানা, ঈদগাহ, খেলার মাঠ, রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন স্থাপনা। ২০ বছরে নদীর প্রস্থ কমেছে অর্ধেকের বেশি।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026