1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

বিকাশে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার ৫

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
  • ২০৮ বার দেখা হয়েছে

বিকাশে প্রতারণার অভিযোগে রাজধানীতে পাঁচ প্রতারককে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোববার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে এবং সকালে ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

 

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, খোরশেদ আলম (২৮), ফয়সাল হাসান ফাহিম (২৪), আনোয়ার পারভেজ ভূঁইয়া (২৫), মমিনুল ইসলাম (২৯) এবং নজরুল ইসলাম (৪০)।

খোরশেদ আলম মোবাইল অপারেটর কোম্পানি বাংলালিংকের এজেন্ট। বাকিরা বিকাশের এজেন্ট এবং দোকানদার। গ্রেফতারকৃদের কাছ থেকে ৫৪টি সিম উদ্ধার করা হয়।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন জানান, প্রতারক এই চক্রের মূল হোতা খোরশেদ আলম। তিনি বাংলালিংকের মার্কেট অপারেশন ডিস্ট্রিবিউটরের একজন এজেন্ট। তিনি মূলত বাংলালিংকের সিম নিবন্ধক। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে সিম বিক্রি করেন। এজেন্ট হওয়ার সুবাদে এবং সুযোগে তিনি বিভিন্ন বস্তি এলাকায় গিয়ে কৌশলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেন। সংগৃহীত এসব ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সিম ইস্যু করেন। এসব সিম তিনি বিক্রি করেন বিকাশ এজেন্ট আনোয়ার ও ফয়সালের কাছে। সাধারণত একটি সিম ৬০ টাকা হলেও এসব সিম খোরশেদ বিক্রি করেন ২০০ টাকা করে। ২০০ টাকা দরে কেনা এসব সিম আবার ৩০০ টাকা দরে আনোয়ার ও ফয়সালের কাছ থেকে কিনে নেন বিকাশ দোকানদার মোমিনুল। পরে এসব সিম থেকেই বিকাশ এজেন্ট, কর্মকর্তা সেজে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।

ওসি আরও জানান, গত ২ ফেব্রুয়ারি মাহতাফ হোসেন তার বিকাশ নাম্বারে ১২ হাজার টাকা ক্যাশ-ইন করেন। বাসায় ফেরার পর তাকে ফোন করে জানানো হয় ক্যাশ ইন করার সময় ভুল নম্বরে টাকা চলে যাওয়ায় একটি নাম্বার লক করে দেওয়া হয়েছে। সেই লক খোলার জন্য ওটিপি মাহতাফের নাম্বারে পাঠানো হয়েছে। মাহতাফ সেই নাম্বার বলার পর দেখেন তার বিকাশ থেকে ৪৭ হাজার ৯৪০ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। এরপর ওই নাম্বারে ফোন করলে সেই ফোন বন্ধ পান।

এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করলে আজ ভোর সাড়ে ৪টায় খোরশেদ আলমকে ডেমরা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় বাকিদের।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026