1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মানিকগঞ্জে জাতীয় কবি নজরুলের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজন। জুন মাসে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ‘ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কনফারেন্স’ আয়োজন করতে যাচ্ছে রংপুরে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের আর্থিক সহায়তা বিতরণ কুয়েতে বাংলাদেশের খাদ্য সহায়তা হস্তান্তর: সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার ১০০ দিনে সরকারের একাধিক জনমুখী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন: সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়; অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আগামী ২৮ মে অলাভজনক ও অসংগতিপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্প বাদ দেওয়ার উদ্যোগ সরকারের বাংলাদেশ ও আইএমএফের নতুন তিন বছর মেয়াদি সংস্কার কর্মসূচি শুরুর সিদ্ধান্ত উচ্চ প্রযুক্তির চিপের চাহিদা ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে সিঙ্গাপুরে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

জ্বালানি তেল সংকটে বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এপ্রিলে তীব্র হতে পারে লোডশেডিং

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
  • ১৯৮ বার দেখা হয়েছে

বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের অর্থ দেরিতে ছাড় হওয়ায় তহবিল সংকটে পড়েছে দেশের বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো (আইপিপি)। আবার ডলার সংকটের কারণে জ্বালানি তেল আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খুলতে গিয়েও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে আইপিপি উদ্যোক্তাদের। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানগুলোর জ্বালানি তেলের মজুদ কমে এসেছে।

খাতসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, আইপিপিগুলোর জ্বালানি তেলের মজুদ দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে আগামী মার্চ পর্যন্ত। তবে এটুকুও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য যথেষ্ট নয়। জ্বালানি তেল আমদানি করতে না পারলে এপ্রিল থেকে সারা দেশে বিদ্যুতের লোডশেডিং তীব্র হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে। অথচ এপ্রিলেই দেশে বিদ্যুতের চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি। তীব্র গরমের কারণে এ সময় আবাসিক ও শিল্পসহ প্রায় সব খাতেই চাহিদা ব্যাপক মাত্রায় বেড়ে যায়।

বর্তমানে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) তুলনায় ফার্নেস অয়েলভিত্তিক (এইচএফও) কেন্দ্রগুলোর বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যয় কম। এ মুহূর্তে সরকারও এটিকে বিবেচনা করছে ব্যয়সাশ্রয়ী জ্বালানি হিসেবে। কিন্তু আমদানি করতে না পারায় এখন এইচএফওভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর উদ্যোক্তাদের মধ্যেও দেখা গেছে দুশ্চিন্তা।

উদ্যোক্তারা বলছেন, সরকারের কাছে আইপিপিগুলোর বিপুল পরিমাণ বকেয়া বিল পাওনা রয়েছে। এ বিল আটকে থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে চলতি মূলধনের সংকটে ভুগতে হচ্ছে। আবার টাকার অবমূল্যায়নের কারণেও প্রতিষ্ঠানগুলোর বড় অংকের লোকসান হয়েছে। এর মধ্যে যোগ হয়েছে ডলার সংকট। এলসি খোলার জন্য চাহিদামাফিক ডলারের জোগান দিতে পারছে না ব্যাংকগুলো। আগে এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে সহায়তা পাওয়া গেলেও বর্তমানে এ প্রক্রিয়াটিও ধীর হয়ে এসেছে। আইপিপিগুলোর কাছে যে জ্বালানি তেল আছে, তা দিয়ে কোনোমতে মার্চ পর্যন্ত চালানো সম্ভব। আবার সেটুকুও ওই পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ করার মতো পর্যাপ্ত নয়। এপ্রিলের জন্য জ্বালানি তেল আমদানি না করা গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে না। এতে দেশে লোডশেডিংয়ের তীব্রতা বাড়বে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026