1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মোবাইলে যেভাবে দেখবেন সিঙ্গাপুর-বাংলাদেশের খেলা মাহাথির মোহাম্মদের স্ত্রীর মৃত্যুতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর শোক নেত্রকোনায় প্রথমবারের মতো বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপিত কম্বোডিয়ান গ্যাংয়ের ‘টিকিট ফাঁদ’, সাবেক কর্মকর্তার ৩৪ লাখ টাকা গায়েব সাংবাদিক গ্রেপ্তারের আগে আদালতের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবে একমত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গুণী শিক্ষক সম্মাননা বাড়ছে ১২ থেকে ১০০ জনে : মাহদী আমিন শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলের পৃথক প্রজ্ঞাপন কবে, যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে এইডিস মশার লার্ভা জরিপ শুরু প্রাথমিকে এখনো নিয়োগপত্র না পাওয়া ৮১৭ জনের ‘ভেরিফিকেশন’ হচ্ছে: মন্ত্রী সেবার মান না বাড়ালে বাস কোম্পানির রুট বাতিল: সড়কমন্ত্রী

খাস জমি দখলে কারাদণ্ড-অর্থদণ্ড বিধান রেখে বিল পাস’

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
  • ২০৭ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

হাট ও বাজারের সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখল বা কোনো অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রেখে জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়েছে। ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ‘হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) আইন, ২০২৩’বিলটি পাসের জন্য প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে বিলটি পাসের আগে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন বিরোধী দলের সদস্যরা। তবে সেই প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। এরপর সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করেন স্পিকার।
গত ৮ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিলটি সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
আইনে অর্থদণ্ড আরোপের ক্ষেত্রে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ফলে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ অনুচ্ছেদের বাইরে গিয়ে তিনি অর্থদণ্ড আরোপ করতে পারবেন। আর বিলের বিধান লঙ্ঘন করে কোনো ব্যক্তি হাট ও বাজারের সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখলে রাখলে বা খাস জমির ওপর কোনো অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে অবৈধভাবে নির্মিত স্থাপনা সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হবে।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হাট ও বাজার স্থাপন ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠাসহ গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে ১৯৫৯ সালে প্রণীত অধ্যাদেশ রহিত করে বাংলায় নতুন বিলটি আনা হয়েছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং স্টেক হোল্ডারদের মতামত গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জন করা হয়েছে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026