1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ০১:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তানজিম হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন মিরপুরে শিশু গৃহকর্মী হত্যা: অ্যাডভোকেট ও আইটি ইঞ্জিনিয়ার দম্পতি আটক সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্তির প্রজ্ঞাপনে হাইকোর্টের বিস্ময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকার স্বীকার করছে না: জামায়াত আমির ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে নতুন একজোড়া কমিউটার ট্রেন চালুর উদ্যোগ টেস্ট সিরিজ জয়ে ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠায় সরকার সব ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী সিলেট টেস্টে পাকিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সিরিজ জয় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনে ২৩ মে ত্রিশাল আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইরানের আকাশে মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি তেহরানের, ওয়াশিংটনে সামরিক বিকল্প নিয়ে বৈঠক

যে গ্রামের সবাই নামাজি

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৫ জুলাই, ২০২১
  • ৩৪৪ বার দেখা হয়েছে

গ্রামের সবাই অন্য সবার চেয়ে আলাদা। তারা নামাজের ব্যাপারে খুব সিরিয়াস। সবাই মিলে নামাজ পড়ার জন্য চেষ্টা করে এবং তারা এ ব্যাপারে শতভাগ সফল। তাই গ্রামের সব মানুষই নামাজী। গ্রামের কোনো দোকানে বা বাড়িতে টিভি নেই।

পাকিস্তানের এমন একটি গ্রাম, যেখানে ছোট থেকে বড় সবাই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। ওই গ্রামের কেউ নেশা করেন না। এমনকি সিগারেটও খান না। পুরো গ্রামের দোকানগুলোতে গত ২০ বছর ধরে সিগারেট বিক্রিই করা হয় না। গ্রামে বিয়েশাদি হয় মসজিদে। সাদাসিধেভাবে। এক্ষেত্রে ইসলামী বিধানের পরিপূর্ণ লক্ষ্য রাখা হয়। বিয়ের মধ্যে গানবাজনা হয় না। কোনো বিয়েতে গানবাজনার ব্যবস্থা করা হলে সামাজিকভাবে ওই বিয়েকে বয়কট করেন সবাই। গ্রামের প্রতিটি কবর মাটির। ইটবালু দিয়ে পাকা করা হয় না। ওই গ্রামে কোনো ভিখারি নেই। সবাই কাজকর্ম করে উপার্জন করেন।

গ্রামটি পাকিস্তানের ফয়সালাবাদে। জানা যায়, ওই গ্রামে ৯০ বছরের পুরোনো একটি মাদরাসা রয়েছে। যেখান থেকে সাধারণ মানুষকে ইসলামের দিকনির্দেশনা দেয়া হয়। যেকোনো ধরনের সমস্যা নিয়ে লোকজন মাদরাসায় হাজির হন আগে। ওই মাদরাসার প্রভাবেই পুরো গ্রামে এমন পরিবর্তন এসেছে বলে দাবি করেন, মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ আমীন। তিনি টানা ৪০ বছর ধরে ওই মাদরাসায় শিক্ষকতা করছেন।

হাফেজ আমীন পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম উর্দু পয়েন্টকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আমাদের গ্রামে পরিবর্তন এমনিতেই আসেনি। আমাদের মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এ গ্রামে দাওয়াতি কাজ করেছেন। মানুষের মাঝে ইসলামকে সুন্দর ও সহজভাবে উপস্থাপন করেছেন। ইসলামের বিধান মানার ক্ষেত্রে এ গ্রামের সবাই একপন্থী। যার কারণে সবাইকে এক দিকনির্দেশনায় পথ দেখানো সহজ হয়।

হাফেজ আমীন বলেন, আমাদের গ্রামের এক লোক তার পরিবারের এক সদস্যের বিয়েতে গানবাজনার ব্যবস্থা করলে ওই বিয়েতে গ্রামের কেউ যায়নি। এমনকি তার নিকটাত্মীয়রাও যায়নি। গ্রামের পরিবর্তনের পেছনে সবার এমন নজিরবিহীন একতাও একটি কারণ বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, আমাদের গ্রামের কোনো দোকানে বা বাড়িতে টিভি নেই। হাতেগোনা কয়েকটি বাড়িতে আছে। তবে, আমাদের মাদরাসা থেকে তাদের বলে দেয়া আছে–টিভি চালালেও ভলিউম কমিয়ে দেখতে হবে। কোনো পথচারী কোনো বাড়ি থেকে টিভির শব্দ শুনতে পেলে সাথে সাথে তিনি দাঁড়িয়ে যান এবং ওই বাড়িতে গিয়ে লোকজনকে বোঝান। এসব বিষয়ে গ্রামের কেউ কখনো বিতর্ক করেন না বলেও জানান তিনি। বরং দুঃখপ্রকাশ করে অসামাজিক বা অনৈসলামিক কাজ থেকে বিরত থাকেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026