1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০১:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
পার্বত্য অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিশুদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ভেনিজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪ হাজার ৭৩৪ দেশের সাত জেলায় সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস গণতন্ত্রে উত্তরণ ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত: ফ্রান্স-বাংলাদেশ সহযোগিতার প্রসার ক্যান্সার চিকিৎসায় গতি আনতে আইএনএমপি ও জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালের সমঝোতা বাংলাদেশে নতুন শিল্প বিনিয়োগের প্রধান চালিকাশক্তি চীনা উদ্যোক্তারা রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব মার্কিন সিনেটে পবিত্র মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর সাপ্তাহিক ইমামতি ও নামাজের সময়সূচী প্রকাশিত সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় কুমিল্লার প্রবাসী যুবকের মৃত্যু

হাসপাতাল-ক্লিনিক বানালে ১০ বছর কর দিতে হবে না

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২ জুন, ২০২১
  • ২৭৯ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক করোনা সংকটে স্বাস্থ্য খাতের দুর্বলতার চিত্র উঠে এসেছে। হাসপাতালে শয্যাসহ চিকিৎসাসরঞ্জামাদির অভাব ছিল। স্বাস্থ্য খাতের বিনিয়োগ বাড়াতে আগামী বাজেটে নতুন করে কর অবকাশসুবিধা দেওয়া হচ্ছে। রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ এবং বিভাগীয় শহরের বাইরে হাসপাতাল-ক্লিনিক নির্মাণে বিনিয়োগ করলে ১০ বছরের কর অবকাশসুবিধা দেওয়া হতে পারে। ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই সুযোগ মিলবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, এই সুবিধা শুধু সাধারণ ও বিশেষায়িত—দুই ধরনের হাসপাতালে বিনিয়োগকারীরা পাবেন। তবে কিছু শর্ত জুড়ে দিতে পারে এনবিআর।

যেমন হাসপাতালে শয্যাসংখ্যা কমপক্ষে ২০০ হতে হবে। শয্যাসংখ্যার অন্তত ৫ থেকে ১০ শতাংশ নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) শয্যা থাকতে হবে। কত লোকের কর্মসংস্থান হবে, কত বিনিয়োগ হবে, তা জানাতে হবে এনবিআর। সার্বিকভাবে একটি বিনিয়োগপরিকল্পনা জমা দিয়ে এনবিআরের কাছ থেকে কর অবকাশসুবিধার আবেদন করতে হবে।

এ ছাড়া ওই সব হাসপাতালের যন্ত্রপাতি আমদানিতেও শুল্ক-কর অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে। বর্তমানে হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়মিত করপোরেট করহার আরোপ করা আছে। যেমন শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হলে ২৫ শতাংশ এবং শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত না হলে সাড়ে ৩২ শতাংশ। স্বাস্থ্য খাতের মধ্যে ওষুধ কোম্পানি কর অবকাশসুবিধা পায়।

কোভিড-১৯–এর প্রকোপ শুরুর পর দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা তা সামাল দিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। করোনায় জীবনরক্ষাকারী সামগ্রী, যেমন: পিপিই, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, গগলস, ফেসশিল্ডসহ যাবতীয় ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রীর ওপর সব ধরনের শুল্ক-কর প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই আগামী অর্থবছরে অব্যাহত থাকবে। এসব সামগ্রী দেশে উৎপাদকদের জন্য কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক-কর এবং উৎপাদন ও সরবরাহ পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026