1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

হাসপাতাল-ক্লিনিক বানালে ১০ বছর কর দিতে হবে না

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২ জুন, ২০২১
  • ২৩২ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক করোনা সংকটে স্বাস্থ্য খাতের দুর্বলতার চিত্র উঠে এসেছে। হাসপাতালে শয্যাসহ চিকিৎসাসরঞ্জামাদির অভাব ছিল। স্বাস্থ্য খাতের বিনিয়োগ বাড়াতে আগামী বাজেটে নতুন করে কর অবকাশসুবিধা দেওয়া হচ্ছে। রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ এবং বিভাগীয় শহরের বাইরে হাসপাতাল-ক্লিনিক নির্মাণে বিনিয়োগ করলে ১০ বছরের কর অবকাশসুবিধা দেওয়া হতে পারে। ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই সুযোগ মিলবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, এই সুবিধা শুধু সাধারণ ও বিশেষায়িত—দুই ধরনের হাসপাতালে বিনিয়োগকারীরা পাবেন। তবে কিছু শর্ত জুড়ে দিতে পারে এনবিআর।

যেমন হাসপাতালে শয্যাসংখ্যা কমপক্ষে ২০০ হতে হবে। শয্যাসংখ্যার অন্তত ৫ থেকে ১০ শতাংশ নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) শয্যা থাকতে হবে। কত লোকের কর্মসংস্থান হবে, কত বিনিয়োগ হবে, তা জানাতে হবে এনবিআর। সার্বিকভাবে একটি বিনিয়োগপরিকল্পনা জমা দিয়ে এনবিআরের কাছ থেকে কর অবকাশসুবিধার আবেদন করতে হবে।

এ ছাড়া ওই সব হাসপাতালের যন্ত্রপাতি আমদানিতেও শুল্ক-কর অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে। বর্তমানে হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়মিত করপোরেট করহার আরোপ করা আছে। যেমন শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হলে ২৫ শতাংশ এবং শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত না হলে সাড়ে ৩২ শতাংশ। স্বাস্থ্য খাতের মধ্যে ওষুধ কোম্পানি কর অবকাশসুবিধা পায়।

কোভিড-১৯–এর প্রকোপ শুরুর পর দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা তা সামাল দিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। করোনায় জীবনরক্ষাকারী সামগ্রী, যেমন: পিপিই, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, গগলস, ফেসশিল্ডসহ যাবতীয় ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রীর ওপর সব ধরনের শুল্ক-কর প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই আগামী অর্থবছরে অব্যাহত থাকবে। এসব সামগ্রী দেশে উৎপাদকদের জন্য কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক-কর এবং উৎপাদন ও সরবরাহ পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026